ওরাকল কি ও এর ইতিহাস

ওরাকল ড. ই.এফ.কড এর সুদীর্ঘ গবেষণার ফল। সি এবং জাভা ল্যাংগুয়েজ এর সমন্বয়ে ওরাকল ডেবলপ করা হয়েছে। ওরাকল কর্পোরেশন বর্তমানে একটি সর্ববৃহৎ ডেটাবেজ সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানী। ওরাকল কোম্পানীর ডেটাবেজ প্রোগাম ওরাকল একটি সর্বাধিক শক্তিশালী ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হিসেবে পৃথিবীর সর্বত্র ব্যবহৃত হচ্ছে। ওরাকল কোম্পানীর একটি প্রোডাক্ত যেখানে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্পোট করে। ওরাকল কর্পোরেশন প্রথম কোম্পানী যারা বানিজ্যিকভাবে একটি রিয়েল রিলেশনাল ডেটাবেজ প্রোগাম বাজারে ছেড়েছে। ওরাকল সিস্টেম ডেটাবেজ কারনেলের সঙ্গে কানেক্ট করতে প্রসিডিউরাল এসকিউএল ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করছে।ফলে ডেটাবেজ প্রোগ্রম হিসেবে ওরাকল গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ওরাকলের প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। তাছাড়া এর সিকউরিটি সিস্টেম বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই শক্তিশালী। বর্তমানে ওরাকল ডেটাবেজ ডেভেলপারগণের নিকট একটি আদর্শ ডেটাবেজ প্রোগাম হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমানে ওরাকলের সর্বশেষ ভার্সন 11g ব্যবহার করা হচ্ছে।এছাড়াও পূর্বের ভার্সন গুলোর মধ্যে ওরাকল 9i, 10g ইত্যাদি ভার্সন গুলো অন্যতম।

১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর মশার কয়েল

একটা মশার কয়েল থেকে যে পরিমান ধোয়াবের হয় তার ১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর। আর এই কয়েলের ধোয়ায় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিমান মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে বলে একজন বিশেষজ্ঞ এ তথ্য জানান। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার চেস্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ গবেষনা চালায়। ফাউন্ডেশনের পরিচালক সন্দীপ সালভি বলেন, ‘অনেক মানুষ জানেই না যে একটা মশার কয়েল একশটা সিগারেটের সমান ক্ষতি করে ফেলছে… তার ফুসফুসে।’
তিনি আরও বলেন, মানব শরীরে বায়ু দূষণের প্রভাব সম্পর্কে গণসচেতনতার পর্যাপ্ত অভাব রয়েছে। বাসার ভেতরের বায়ু দূষণও শরীরের জন্য মারাত্বক। ভারতীয় ডাক্তারদের জন্য পর্যাপ্ত গবেষনা কেন্দ্রের অভাবও রয়েছে বলে তিনি জানান। প্রাপ্ত গবেষণা মতে, ঢাকার মূল রাস্তাগুলোর ৫০০ মিটারেরমাঝে সবচেয়ে বেশি দূষণ হয়ে থাকে। আরএই দূষণের মাত্র প্রায় ৫৫ শতাংশ। যারকারণে এর আশপাশ অঞ্চলের মানুষ নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগে।

পবিত্র শবেবরাত : এ রাতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের তাজাল্লী বিকশিত হয়

- কুরআন মাজীদ এ রাতে প্রথম নাযিল হয়। - এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। - এ রাতে সিদ্রাতুল মুন্তাহায় অবস্থিত অগণিত ফেরেস্তাসহ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) দুনিয়ায় অবতীর্ণ হন এবং দুনিয়ার সমস্ত অংশে ছড়িয়ে পড়েন। প্রত্যেক স্থানে স্থানে সিজদা, রুকু করেন। মুমিন নর-নারীর জন্যে দোয়ায় মশগুল হন। কিন্তু গীর্জা ঘর ও মন্দির প্রতিমা, অগি্ন পূজার স্থানে, আবর্জনার সতূপে এবং যে ঘরে নেশাখোর, বাদ্যযন্ত্র প্রভৃতি থাকে সে ঘর হতে তারা দূরে সরে থাকেন। (তাফসীরে ইবনে কাসীর) - এ রাতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের তাজাল্লী বিকশিত হয়।এবাদাত একাগ্রতা লাভ হয়, ক্বালব জেগে ওঠে। - এ মহান রজনীতে আল্লাহ্তায়ালা অসংখ্য গুনাহগারকে মাফ করেন। - এ রাতের তওবা কবুল হয়। - এ রাতে আসমানের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয়। - এ রাতের ইবাদতে মশগুল প্রত্যেক মুমিনকে ফেরেস্তারা সালাম করেন। হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তাদের সাথে মুসাফাহা করেন। শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া, দিল নরম হওয়া, অশ্রু বহির্গত হওয়া ইত্যাদি তার মুসাফাহার আলামত। - এ রাতে মাতা-পিতা ও আত্মীয়-স্বজনের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে তাদের কবর যিয়ারত ও তাদের জন্যে দোয়া করলে আল্লাহ্ কবুল করেন।

- এ রাতে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) স্বীয় পাখাগুলো বিশেষ করে সবুজ দু'টি পাখা মেলে ধরেন। - এ রাতে একজন মুমিন কি দোয়া পড়বে এ প্রসঙ্গে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন ঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (সাঃ)! যদি শবে ক্বদর পেতে সক্ষম হই তাহলে কি পড়ব? রাসূল (সাঃ) বললেন, অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমা পছন্দ করেন, আমাকেও ক্ষমা করুন। (তিরমিযি, মসনদে আহমদ) হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ রাতে পড়ার জন্যে আল্লাহ্র রাসূল যে দোয়া শিখিয়েছেন তা' হলো ঃ অর্থ ঃ আল্লাহ্! আজকের রাতে আমাকে শবে ক্বদরের ফজিলত দান করো। আমার কাজ-কর্মকে কঠিন থেকে সহজের দিকে নিয়ে নাও। আমার অক্ষমতা কবুল করো। আমার পাপসমূহ মার্জনা করো। হে যোগ্য বান্দাদের প্রতি মেহেরবান খোদা! শবে ক্বদর কোন্ রাত্রি এ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। হযরত ওমর (রাঃ)-এর যুগে সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত হয়েছে যে, ইহা রমযানের শেষ দশ দিনে রয়েছে। কোনো হাদিসে ১৭, আবার কোনো হাদিসে ২৩, কোনো হাদিসে ২৪ এবং বেশিরভাগ আলেমের মতে ২৭ তারিখ শবে ক্বদর। হযরত আয়েশা (রঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, রমযানের শেষ দশদিনের বেজোড় রাত্রে শবে ক্বদর তালাশ করো। (বুখারী ১ম খণ্ড পৃষ্ঠা-২৭০) বিভিন্ন মতের সামঞ্জস্য বিধান করে হযরত ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন, আসলে এসব বর্ণনা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর- যেমন কেউ জিজ্ঞেস করলো, হুজুর আমরা শবে ক্বদর অমুক রাত্রিতে তালাশ করবো কি? উত্তরে হুজুর বললেন, হঁ্যা, তালাশ করো। প্রকৃত পক্ষে শবে ক্বদর নির্ধারিত, এতে কোনো পরিবর্তন হয় না। আবু কুলাবা বলেন: শেষ দশকের রাতগুলোতে ইহা ঘুরাফেরা করে পরিবর্তিত হয়। ইমাম মালিক (রহঃ), ইমাম সুফিয়ান সওরী (রহঃ), ইমাম আহমদ ইবন খুযাইম (রাঃ)-এর মতে ইহাই সঠিক। (তাফসীরু ইবন কাসীর, বরকতের রাত-৪৪) ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন, রমযানের শেষ দশ রাতে সমানভাবে শবে ক্বদর অনুসন্ধান করা উচিত, হযরত শাহ ওলীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী (রহঃ) বলেন, শবে ক্বদর ২টি। ১. ১টিতে বিশ্ব প্রশাসনের বিধি-ব্যবস্থা নির্ধারিত হয়। এই শবে ক্বদর অনির্দিষ্ট, এক এক বছর এক এক রাতে অনুষ্ঠিত। ২. ২য়টি হলো কল্যাণ, ফয়েয ও বরকত সাওয়াব বৃদ্ধি এবং ফেরেস্তাদের অবতরণ ইত্যাদির জন্যে এ রাত রমযানের শেষ দিকের বেজোড় রাতগুলোর মধ্যে রয়েছে। ঘটনাক্রমে কুরআন নাযিলের সময় উভয় রাত মাহে রমযানে একত্রিত হয়। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা) এ পবিত্র ও মহিমান্বিত রাতে আল্লাহ্র রহমত ও মাগফিরাত থেকে যারা বঞ্চিত থাকবে তারা হলো: ১. নেশাখোর, মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী। ২. মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান। ৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী। ৪. ইচ্ছাকৃত শক্তি থাকা সত্ত্বেও নামাজ তরককারী। ৫. বিনা কারণে অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারী। (তাফসীরু কাশফিল আসরার ১ম খণ্ড পৃ: ৫৪৬) উপরোক্ত দোষে যারা দোষী তারা এ রাতের বরকত পাওয়ার জন্যে প্রথমেই খালেছ অন্তরে তওবা করতে হবে। তাদের তওবা আল্লাহ্ কবুল করার পরই তারা এই রাতের ফযিলত লাভ করবে। এ রাতে যারা নিজের অপরাধ ক্ষমা চেয়ে এবং আল্লাহ্র রহমত কামনা করে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে কাঁদবে এবং যার চোখ দিয়ে পানি বের হবে, বুঝতে হবে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তার হাতের ওপর হাত দিয়েছে। (কাশফুল আসরার তাফসীর গ্রন্থ- ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৬৫) এ রাতের নামাজ ও ইবাদতের উসিলায় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বান্দার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করেন।
যেমন বর্ণিত হয়েছে ঃ হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহ্র নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এরশাদ করেছেন, যে লোক ঈমানের সাথে সাওয়াবের নিয়্যতে ক্বদর রাতে আল্লাহ্র ইবাদতের জন্যে দরবারে এলাহীতে দণ্ডায়মান হবে তার বিগত জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (বুখারী শরীফ- ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৭০) এ হাদিসে দণ্ডায়মান হওয়ার যে কথা রয়েছে তা' শুধু নামাযের অবস্থায় দণ্ডায়মান হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এ রাতে নামাজ, তিলাওয়াতে কুরআন, যিকির, ইস্তিগফার, তসবিহ পাঠ, বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়া একান্ত করণীয়। আল্লামা আলুসী (রহ.) লিখেছেন, লাইলাতুল ক্বদরে সর্বপ্রকার ইবাদতই হওয়া উচিত। যেমন নফল নামাজ, তেলাওয়াতে কুরআনে কারীম, আল্লাহ্র যিকির তসবীহ পাঠ, ক্ষমা প্রার্থনা এবং দোয়া এসব থাকা উচিত। (ফাযায়েলে রমযান- মুফতি আমীমুল এহসান (রহঃ), পৃষ্ঠা-২৭) শবে ক্বদরের নফল নামাজ নামাজের নিয়ম হলো ঃ প্রথম ঃ দুই দুই রাকাত করে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। প্রথম চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর একবার সূরা ক্বদর ও তিনবার সূরা ইখলাস পড়ে সালাম ফিরিয়ে একশত বার দরুদ শরীফ পাঠ করা। দ্বিতীয় চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা ও সূরা ক্বদরের পর সূরা ইখলাছ দশবার পড়তে হবে। এরপর সালাম ফিরিয়ে একশতবার দরুদ শরীফ পড়তে হবে। তৃতীয় চার রাকাতে একই নিয়মে সূরা ইখলাস ২৫ বার পড়তে হবে। এরপর একশত বার দরুদ শরীফ ও রাসূল (সাঃ)কে সালাম জানিয়ে নিজের গুনাহ ক্ষমা চেয়ে সমস্ত নবী ওলীগণের রুহে সাওয়াব রেসানী করতে হবে। দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর জন্যে দোয়া করতে হবে। শবে ক্বদরের নামাজের নিয়্যত ঃ উচ্চারণ ঃ নাওয়াইতু আন উছালিস্নয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকাআতাই ছালাতি লাইলাতিল ক্বাদরি মুতাওয়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। ্#৬১৫৫৩; হযরত ইমাম নববী (রহঃ) লিখেন, ক্বদরের রাতে জাগ্রত থেকে নফল নামাজ পড়া, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা এবং দরুদ শরীফ পাঠ করা উত্তম। ্#৬১৫৫৩; শবে ক্বদরের আরেকটি কাজ হলো, আত্মীয়-স্বজনের কবর যিয়ারত করা এবং দান-সদকা করা। এ রাতের বরকত, মাগফিরাত ও রহমত পেতে হলে আমাদেরকে তওবার মাধ্যমে গুনাহমুক্ত হতে হবে। বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়ে রাসূলে খোদার মহব্বত অন্তরে সৃষ্টি করতে হবে। বনি ইসরাঈলের শামসুন গাযীর মতো জিহাদের ময়দানে জীবনকে বিলিয়ে দিতে হবে। তবে ইবাদত-বন্দেগীতে ও জিহাদের পূর্বশর্ত হলো আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝা ও উপলব্ধি করা। নিজ পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে আল-কুরআনের নূরে নূরান্বিত করা। যে দিন সমাজ ও রাষ্ট্রে এ কুরআনের ঝাণ্ডা উড্ডীন হবে সে দিনই আমাদের জন্যে উড্ডীন হবে হামদ, মাগফিরাত, রহমত ও কারামতের ঝাণ্ডা। তাই আসুন, আল্লাহ্র ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বিশেষ নেয়ামত শবে ক্বদরের বরকত পাওয়ার যোগ্যতা সৃষ্টি করি। দোয়া করি হে আল্লাহ্! আমাদেরকে তোমার নিষ্ঠাবান বান্দা হবার তাওফীক দান করো। মুসলিম উম্মাহর মাঝে এমন ঈমান, ইখলাস ও তাক্বওয়াহ দাও, যার বলে বলীয়ান হয়ে তোমার কুরআনের রাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তারা যেন ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। হে আল্লাহ্! তোমার নূর, তোমার হাবিবের নূর, তোমার কুরআনের নূর, আমাদেরকে দান করো। নির্যাতিত মুসলিম জাতিকে তুমি নিজ রহমতেই হেফাজত কর। আমীন।

লাগবে নাকি FACEBOOK এ সবচেয়ে সুন্দর STATUS? নিয়ে নিন সুন্দর সব STSTUS

১। গুগলের লিঙ্গ
গদা: আচ্ছা পদা, গুগল কী ছেলে নাকী মেয়ে?
পদা: অবশ্যই মেয়ে। একটা লাইনও শেষ করতে দেয় না। শুরু না করতেই আরো কত সব আইডিয়া সাজেস্ট করে বসে।
২। না-কাটা দিঘি ভরাট
একবার এক প্রকৌশলী বদলি হয়ে নতুন এক এলাকার দায়িত্ব নিলেন। গিয়েই তিনি তাঁর সহকারীকে আগের কয়েক বছরে কী কী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে, সে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। নির্দেশমতো তদন্ত করে সহকারী তাঁকে যথাসময়ে রিপোর্ট দিলেন।

রিপোর্ট ঘেঁটে প্রকৌশলী দেখলেন, এলাকায় পানির সমস্যা নিরসনে একটি প্রশস্ত দিঘি খনন করার বাজেট দেওয়া হয়েছিল এবং রিপোর্টে উল্লেখ আছে, সেই দিঘিটা যথাসময়ে খনন করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো, অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি রিপোর্টে উল্লিখিত জায়গায় কোনো দিঘি খুঁজে পেলেন না। তাঁর আর বুঝতে বাকি রইল না, আসলে কী ঘটেছে। তিনিও এর সুযোগ নিয়ে ওপরের মহলে রিপোর্ট করলেন, এই এলাকার মানুষ দিঘি থেকে পানি পান করে বলে এখানে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। তাই অচিরেই যেন এই দিঘি ভরাট করে এখানে নলকূপ স্থাপনের বাজেট দেওয়া হয়। যথাসময়ে বাজেট মিলল এবং ‘না-কাটা’ দিঘি ভরাট হয়ে গেল; সেই সঙ্গে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর সহযোগীদের পকেটও ভরল।

৩। গতবারের মতো ঘটনা

শফিক সাহেব বিলেত যাবেন। এয়ারপোর্ট পৌঁছে তিনি কর্তব্যরত কর্মকর্তাকে বললেন, মাফ করবেন। আমি আমেরিকা যাব। আপনারা কি আমার ব্যাগটা লন্ডনে পৌঁছে দিতে পারবেন?
কর্মকর্তা: না, স্যার। সেটা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
শফিক সাহেব: যাক, বাঁচা গেল। গতবারের মতো ঘটনা তাহলে ঘটাচ্ছেন না!

৪। সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?
স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’
স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!
স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।

৫। জিপ ফাইলে কমপ্রেস করে.......

অনলাইনে পরিচিত হয়ে পরস্পরকে নিজেদের ছবি পাঠানোর পর দেখা করার সিদ্ধান্ত নিল এক ছেলে আর এক মেয়ে। দেখা হওয়ার পর মেয়েটিকে বলল ছেলেটি, ‘ছবিতে কিন্তু তোমাকে অনেক ছোটখাটো মনে হয়েছিল।’
মেয়েটি বলল, ‘তা তো হতেই পারে। কারণ তোমাকে ছবি পাঠিয়েছিলাম জিপ ফাইলে কমপ্রেস করে।’

৬। মেয়েদের অপারেটিং সিস্টেম......

মেয়েদের জন্য তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম প্রশ্নের উত্তরের অপশন হিসেবে মনিটরের পর্দায় দেখায়: ‘হ্যাঁ-ও নয়, না-ও নয়’, ‘হ্যাঁ, আবার না-ও’, ‘না! না! না!’ এবং ‘কখনো না’।

৭।
রাস্তাতে এক ফকির কে দেখে এক মহিলা বলছে
" এই তোমাকে কোথায় যেন দেখছি মনে হচ্ছে!!"
ফকিরঃ হ্যাঁ ম্যাডাম কালকেই না আপনে আমার ফ্রেন্ড
রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করলেন!! আর আমার প্রোফাইল পিকচার এ তো কমেন্ট ও দিসেন " big grin

৮। .করিম মিয়ার মুলার ক্ষেত। পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষিবিশেষজ্ঞের কাছে।
করিমমিয়াঃ ডাক্তারসাব, আমার মুলার ক্ষেততো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কি করি?
কৃষিবিশেষজ্ঞঃ আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে নুন ছিটিয়ে দিন।
করিমমিয়াঃ আহা! কি পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেলছে আর নুন দিলেতো কথাই নেই!!:-P

৯। মেয়েঃপ্রতি ২ মিনিট পর পর তুমি ফেসবুক স্ট্যাটাস এ আমার নাম লিখ কেন??
ছেলেঃফেসবুক খালি জিজ্ঞেস করে "what's on my mind?"
আর সত্যি হচ্ছে এটা সব সময় তুমি!! ♥

১০। রং নম্বর ছিল

বাবা বলছেন মেয়েকে, ‘কিরে, তুই তো ফোনে কথা বলা শুরু করলে দুই ঘণ্টার আগে ছাড়িস না! আজ মাত্র আধা ঘণ্টায়ই শেষ করলি। এটা কীভাবে সম্ভব?
মেয়ে: রং নম্বর ছিল বাবা!