অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কারেন্ট নিউজ ডাউনলোড করে নিন

প্রতিদিনের মত আজও আপনাদের পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়তে সহায়ক এমন নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।

গত পোস্টে আপনারা জেনেছেন কীভাবে কারেন্ট অ্যাফেআর্স বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন ।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জানবো কারেন্ট নিউজ ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ ও একমাত্র উপায়।

এই মাসের অর্থাৎ কারেন্ট নিউজ সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যাটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনার যেকোন প্রয়োজন জানাতে দ্বিধা করবেন না ।

সবাইকে ধন্যবাদ ।

আগামি কাল ইনশাল্লাহ নতুন কোন পড়াশোনা বিষয়ক পোস্ট নিয়ে দেখা হবে সেই পর্যন্ত খোদা হাফেজ

ইন্টারনেটে ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার গুলো

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই ? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন। সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিপস শুরু করছি। ইন্টারনেটে আমরা ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার জন্য আমরা নানা ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করে থাকি যেমন , Skype, Google Talk MSN Meseenger AIM Messenger BDchat software Deshichat(voice chat) Net2phone eyeballchat meebo, paltalk webcam chat , oovoo video chat

আজ আমি আপনাদের কয়েকটি ফ্রি ইন্টারনেটে ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার লিঙ্ক দিবো , আমি জানি আপনারা অনেকে জানেন সফটওয়্যার গুলো নিয়ে । তবে আমাদের ব্লগে এই নিয়ে কোন টিপস শেয়ার করা হয় নেই । তাই আজ আমি শেয়ার করলাম যারা জানেন না তাদের জন্য ।

Skype BETA

skype তে ভয়েস কল, ভিডিও কল, চ্যাটিং করা যায়। অনেকেই হয়ত yahoo. msn, Galk এ চ্যাটিং করে থাকেন তবে আমার মতে skype সবচেয়ে ভালো একটি সফটওয়ার । ইন্টারনেট স্পীড কম থাকলেও কোন সমস্যা হবে না । এর সাউন্ড সিস্টেম অনেক ভালো । ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপি কিনে নেই মাইক্রোসফট.স্কাইপকে মাইক্রোসফটের একটি ডিভিসনে রুপান্তরিত করা হবে । স্কাইপ প্রধান টনি বেটস হবেন এই বিভাগের চেয়ারম্যান । তার রিপোর্টিং হেড হবেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী স্টিভ বালমার ।অনেকেই বলছেন এই চুক্তিতে স্কাইপ অতি মূল্যায়িত । এমনিতেই মাইক্রোসফট অনলাইন সার্ভিসে টাকা হারাচ্ছে । তারপর এত দামে কিনে নেয়া পণ্যটিও গতবছর প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিতে ছিল তথ্যসূএ Microsoft will acquire Skype

কিছুদিন আগে মাইক্রোসফট এর এই স্কাইপ বিশ্বজুড়ে প্রবলেম হয়ে ছিল । তবে এখন প্রায় সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে যারা এখনো স্কাইপ ব্যবহার করছেন না তারা

এখান থেকে ডাওনলোড করুন অফ লাইনে ইন্সটল করুন

Yahoo! Messenger


সবাই জানেন Yahoo! Messenger অনেক ভালো একটি ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার

এখান থেকে ডাওনলোড করুন

Google Talk

First a Gmail outage and now a Google Talk phishing scam. What's next? Image: Google.

Google Talk এখান থেকে ডাওনলোড করুন

oovoo video chat

http://www.podcastingnews.com/content/wp-content/uploads/2008/05/oovoo.jpg

Oovoo.com

oovoo video chat

এটিও অনেক ভালো একটি ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার এখান থেকে ডাওনলোড করুন

বন্ধ রাখুন মোবাইল যদি সুখী থাকতে চান

সপ্তাহে অন্তত একটি সন্ধে যদি নিত্যসঙ্গী মোবাইল ফোনটা বন্ধ রাখা যায়, তা হলে নাকি কর্মজীবনে উন্নতির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। এবং শুধু তা-ই নয়, এতে নাকি লুকিয়ে রয়েছে ‘সুখী’ জীবনের চাবিকাঠি। অন্তত এই রকমই দাবি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের এক দল গবেষকের। কিন্তু তা কী করে সম্ভব?

সম্ভব। অন্তত একটি ব্রিটিশ দৈনিকে প্রকাশিত ওই সমীক্ষার রিপোর্টে সে রকম ছবিই উঠে এসেছে। তিন বছর ধরে চলা ওই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন বস্টনের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রায় ১৪০০ কর্মী। তাদেরকে সপ্তাহে একটি দিন সন্ধে ছ’টার পর সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন গবেষকেরা। এমনকি সেই সময় কাজের সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগই যাতে না থাকে, তার জন্য তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখার নির্দেশও দেয়া হয়।

তাতে দেখা যায়, যে সব কর্মী সপ্তাহে একটি সন্ধ্যা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রেখেছিলেন, তারা নিজেদের কাজ নিয়ে অনেক বেশি সন্তুষ্ট। শুধু তা-ই নয়, এই নতুন নিয়মে তারা আগের তুলনায় অনেক ভাল কাজও করতে পারছেন বলে মত ওই কর্মীদের। কিন্তু এতে কর্মজীবনে উন্নতি না হয় হল, তাতে আখেরে লাভটা কী?

লাভ রয়েছে। ওই গবেষকদলের মূল কাণ্ডারী, অধ্যাপক লেসলি হারলো জানালেন, এই কর্মীরা সমীক্ষা চলাকালীন পরিবারের সঙ্গে অনেক বেশি সময় কাটিয়েছেন। এমনকি, সেই সময়, তাদের সামাজিক মেলামেশা এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। এবং অধ্যাপক হারলোর মতে, এ সবই সম্ভব হয়েছে মোবাইল ফোনের সঙ্গে অন্তত একটি সন্ধে সমস্ত ‘সখ্যতা’ ত্যাগ করার দৌলতে।

তিনি আরো জানান, অফিসের ধরাবাঁধা সময়টুকু ছাড়াও কাজের জগতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে মোবাইল ফোনের জুড়ি মেলা ভার। এমনকি, রাতে ঘুমোনোর সময়ও মোবাইল কাছছাড়া করেন না অনেকেই। কিন্তু, তাতে কাজের দুনিয়া ছাড়া বাকি সব কিছু থেকেই ধীরে ধীরে দূরে চলে যান তারা।

তাই সপ্তাহে একটি সন্ধ্যা মোবাইল ব্যবহার না করলে কর্ম-জীবনের ‘চক্রব্যূহ’ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তাতে আখেরে উপকৃত হবে মানুষের পারিবারিক এবং পেশাদার দুই জীবনই।

তবে কি ‘একটি দিন, মোবাইলবিহীন’,এই মন্ত্রেই লুকিয়ে রয়েছে সুখী জীবনের চাবিকাঠি? সূত্র: ওয়েবসাইট।

বার্তা২৪

সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করবেন, কিন্তুু কেন?

সাইকোলজির প্রফেসরের আজ মেজাজ খুব ফরফুরে।প্রথম সারিতে একজন নতুন ছাত্র দেখে তিনি তাকে দাড় করালেন।
প্রফেসরঃ তুমি কি গড এ বিশ্বাস কর?
ছাত্রঃ অবশ্যই স্যার।
প্রফেসরঃ গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ গড কি সর্বশক্তিমান?
অবশ্যই…
প্রফেসরঃ আমার ভাই ক্যানসারে মারা গেছে যদিও সে গড এর কাছে নিরাময় চেয়েছিল। আমরা প্রায় সবাই অন্যের অসুখ বিসুখে সাহায্য করি, কিন্তু গড তা করেনি। এর পরও কি তুমি বলবে গড ভাল ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ তোমার কোন উত্তর নেই তাইতো ? ওকে, এসো আমরা আবার শুরু করি।গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ শয়তান কি ভাল ?
ছাত্রঃ না।
প্রফেসরঃ শয়তান কোথা থেকে এসেছে ?
ছাত্রঃ গড থেকে।
প্রফেসরঃ তাহলে বৎস, বল জগতে এভিল বলে কিছু আছে কি?
ছাত্রঃ জ্বী আছে।
প্রফেসরঃ এভিল সর্বত্রই আছে, তাইনা ? এবং গড সব কিছু তৈরী করেছে।
ছাত্রঃ জ্বী
প্রফেসরঃ তাহলে এভিল কে তৈরী করেছে?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ হিংসা, বিদ্বেষ, অসুস্থতা, মৃত্যু, এসব কিছই জগতে আছে, তাই নয় কি ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ এসব কে তৈরী করেছে ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ বিজ্ঞান বলে যে, তোমার পাচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে যা তুমি জগতের সব বস্তুকে সনাক্ত করতে ব্যবহার কর। এখন বল তুমি কি গডকে দেখেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের কথা শুনেছ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের স্বাদ গন্ধ কখনও অনুভব করেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ এর পরও কি তুমি গড কে বিশ্বাস কর ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ পরীক্ষাগারে ব প্রফেসরঃ বলো, অনুভবে বলো প্রদর্শনে বলো , বিজ্ঞান বলে গডের কোন অস্তিত্ব নেই। তুমি একে কি বলবে ?
ছাত্রঃ কিছুই না। আমার শুধু বিশ্বাস আছে।
প্রফেসরঃ হ্যা। এখানেই বিজ্ঞানের সমস্যা।
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, তাপ বলে কিছু আছে কি?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ ঠান্ডা ?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ না স্যার এগুলির কোনটিই নেই।

(ঘটনার পট পরিবর্তনে সারা রুম চুপ হয়ে গেল।)

ছাত্রঃ স্যার, আপনি অনেক ধরনের তাপ পেতে পারেন, কম তাপ, বেশী তাপ বা আরো বেশী, কিন্তু ঠান্ডা বলে কিছু নেই।আমরা ৪৫৮ ডিগ্রীর নীচে তাপমাত্রায় যেতে পারি না।তাপের অনুপস্থিতিকেই আমরা ঠান্ডা বলি। আমরা ঠান্ডা মাপি না, তাপই মাপি।তাপই শক্তি। ঠান্ডা আলাদা কিছু নয়, এটি তপের অনুপস্থিতি মাত্র।
(ক্লাসরুমে তখন পিন পতন নীরবতা।)
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, অন্ধকার কি?

অন্ধকার বলে কিছু আছে কি ?
প্রফেসরঃ অবশ্যই, অন্ধকার না থাকলে রাত আসে কিভাবে?
ছাত্রঃ আপনি আবার ভুল করলেন, প্রফেসর। অন্ধকার আলোর অনুপস্থিতি মাত্র। আপনি কম আলো, বেশী আলো ঝাপসা আলো, এসব বলতেই পারেন, কিন্তু কোন আলো না থাকলেই আমরা অন্ধকার বলি।আলো একবারেই না থাকলে অন্ধকারকে আরো তীব্র করা সম্ভব নয়।
প্রফেসরঃ এসব বলে তুমি কি বুঝাতে চায়ছো ?
ছাত্রঃ আমি আসলে আপনার ফিলোসফি থেকেই একটা সিদ্ধান্তে পৌছাতে চাচ্ছি।
প্রফেসরঃ কি সিদ্ধান্ত?
ছাত্রঃ স্যার আপনি দৈত নীতি অনুসরণ করছেন।আপনি একই সাথে জন্ম মৃত্যু ভাল গড, খারাপ গড এর অস্তিত্বের যুক্তি দিচ্ছেন।আপনি গডকে সসীম পরিমাপযোগ্য রাশি মনে করছেন।স্যার বিজ্ঞান কখনও চিন্তা ও চেতনা কে পরিমাপ করতে পারেনা। বিজ্ঞান ইলেকট্রিসিটি ম্যাগনেটিজম ব্যবহার করে কিন্তু কখনও এগুলি ধেখা যায়না এবং খুব কমই অনুভব করা যায়।
এখন প্রফেসর,আপনি বলুন, আপনি কি আপনার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেন যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে?
প্রফেসরঃ অবশ্যই । তুমি যদি জৈবণিক বিবর্তনবাদ দেখ তাহলে তো তাই স্বীকার করবে।
ছাত্রঃ এই বিবর্তন কি আপনি চোখে দেখেছেন ?

(প্রফেসর আস্তে আস্তে বুঝতে পারছিলেন তর্কটি কোন দিকে যাচ্ছে।)

যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি, তাহলে কি ধরে নেব আপনি শুধু আপনার বিশ্বাসটাই প্রচার করছেন।আপনি কি একজন বিজ্ঞানী নাকি একজন প্রচারক ?
পুরো ক্লাস হঠাৎ হাসিতে ফেটে পড়ল।
ছাত্রঃ এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন দেখেছো ?
পুরো ক্লাস আবার হাসিতে ফেটে পড়ল।
এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন শুনেছো অনুভব করেছো, স্পর্শ করেছো অথবা স্বাদ গ্রহণ করেছো?
এমন কেউই নেই যে তা করেছে। সুতরাং বিজ্ঞানের স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী প্রফেসরের কোন ব্রেইন নেই।
With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?

পুরো ক্লাস চুপ। প্রফেসর এক পলকে ছাত্রের দিকে তাকিয়ে রইল।
প্রফেসরঃ আমি মনে করি আমার ব্রেইনকে তোমার বিশ্বাস করা উচিত।

আমিও এটাই বলছিলাম, মানুষ এবং গডের মধ্যে সম্পর্কটা বিশ্বাসের।এটাই বিশ্বাসীদের বাচিয়ে রেখেছে।

আর সেই ছাত্রটা ছিলেন এপিজে আব্দুল কালাম সাবেক ইন্ডিয়ান প্রেসিডেন্ট।

১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর মশার কয়েল

একটা মশার কয়েল থেকে যে পরিমান ধোয়াবের হয় তার ১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর। আর এই কয়েলের ধোয়ায় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিমান মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে বলে একজন বিশেষজ্ঞ এ তথ্য জানান। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার চেস্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন এ গবেষনা চালায়। ফাউন্ডেশনের পরিচালক সন্দীপ সালভি বলেন, ‘অনেক মানুষ জানেই না যে একটা মশার কয়েল একশটা সিগারেটের সমান ক্ষতি করে ফেলছে… তার ফুসফুসে।’
তিনি আরও বলেন, মানব শরীরে বায়ু দূষণের প্রভাব সম্পর্কে গণসচেতনতার পর্যাপ্ত অভাব রয়েছে। বাসার ভেতরের বায়ু দূষণও শরীরের জন্য মারাত্বক। ভারতীয় ডাক্তারদের জন্য পর্যাপ্ত গবেষনা কেন্দ্রের অভাবও রয়েছে বলে তিনি জানান। প্রাপ্ত গবেষণা মতে, ঢাকার মূল রাস্তাগুলোর ৫০০ মিটারেরমাঝে সবচেয়ে বেশি দূষণ হয়ে থাকে। আরএই দূষণের মাত্র প্রায় ৫৫ শতাংশ। যারকারণে এর আশপাশ অঞ্চলের মানুষ নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগে।

পবিত্র শবেবরাত : এ রাতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের তাজাল্লী বিকশিত হয়

- কুরআন মাজীদ এ রাতে প্রথম নাযিল হয়। - এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। - এ রাতে সিদ্রাতুল মুন্তাহায় অবস্থিত অগণিত ফেরেস্তাসহ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) দুনিয়ায় অবতীর্ণ হন এবং দুনিয়ার সমস্ত অংশে ছড়িয়ে পড়েন। প্রত্যেক স্থানে স্থানে সিজদা, রুকু করেন। মুমিন নর-নারীর জন্যে দোয়ায় মশগুল হন। কিন্তু গীর্জা ঘর ও মন্দির প্রতিমা, অগি্ন পূজার স্থানে, আবর্জনার সতূপে এবং যে ঘরে নেশাখোর, বাদ্যযন্ত্র প্রভৃতি থাকে সে ঘর হতে তারা দূরে সরে থাকেন। (তাফসীরে ইবনে কাসীর) - এ রাতে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের তাজাল্লী বিকশিত হয়।এবাদাত একাগ্রতা লাভ হয়, ক্বালব জেগে ওঠে। - এ মহান রজনীতে আল্লাহ্তায়ালা অসংখ্য গুনাহগারকে মাফ করেন। - এ রাতের তওবা কবুল হয়। - এ রাতে আসমানের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয়। - এ রাতের ইবাদতে মশগুল প্রত্যেক মুমিনকে ফেরেস্তারা সালাম করেন। হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তাদের সাথে মুসাফাহা করেন। শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া, দিল নরম হওয়া, অশ্রু বহির্গত হওয়া ইত্যাদি তার মুসাফাহার আলামত। - এ রাতে মাতা-পিতা ও আত্মীয়-স্বজনের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে তাদের কবর যিয়ারত ও তাদের জন্যে দোয়া করলে আল্লাহ্ কবুল করেন।

- এ রাতে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) স্বীয় পাখাগুলো বিশেষ করে সবুজ দু'টি পাখা মেলে ধরেন। - এ রাতে একজন মুমিন কি দোয়া পড়বে এ প্রসঙ্গে হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন ঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (সাঃ)! যদি শবে ক্বদর পেতে সক্ষম হই তাহলে কি পড়ব? রাসূল (সাঃ) বললেন, অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমা পছন্দ করেন, আমাকেও ক্ষমা করুন। (তিরমিযি, মসনদে আহমদ) হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ রাতে পড়ার জন্যে আল্লাহ্র রাসূল যে দোয়া শিখিয়েছেন তা' হলো ঃ অর্থ ঃ আল্লাহ্! আজকের রাতে আমাকে শবে ক্বদরের ফজিলত দান করো। আমার কাজ-কর্মকে কঠিন থেকে সহজের দিকে নিয়ে নাও। আমার অক্ষমতা কবুল করো। আমার পাপসমূহ মার্জনা করো। হে যোগ্য বান্দাদের প্রতি মেহেরবান খোদা! শবে ক্বদর কোন্ রাত্রি এ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। হযরত ওমর (রাঃ)-এর যুগে সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত হয়েছে যে, ইহা রমযানের শেষ দশ দিনে রয়েছে। কোনো হাদিসে ১৭, আবার কোনো হাদিসে ২৩, কোনো হাদিসে ২৪ এবং বেশিরভাগ আলেমের মতে ২৭ তারিখ শবে ক্বদর। হযরত আয়েশা (রঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, রমযানের শেষ দশদিনের বেজোড় রাত্রে শবে ক্বদর তালাশ করো। (বুখারী ১ম খণ্ড পৃষ্ঠা-২৭০) বিভিন্ন মতের সামঞ্জস্য বিধান করে হযরত ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন, আসলে এসব বর্ণনা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর- যেমন কেউ জিজ্ঞেস করলো, হুজুর আমরা শবে ক্বদর অমুক রাত্রিতে তালাশ করবো কি? উত্তরে হুজুর বললেন, হঁ্যা, তালাশ করো। প্রকৃত পক্ষে শবে ক্বদর নির্ধারিত, এতে কোনো পরিবর্তন হয় না। আবু কুলাবা বলেন: শেষ দশকের রাতগুলোতে ইহা ঘুরাফেরা করে পরিবর্তিত হয়। ইমাম মালিক (রহঃ), ইমাম সুফিয়ান সওরী (রহঃ), ইমাম আহমদ ইবন খুযাইম (রাঃ)-এর মতে ইহাই সঠিক। (তাফসীরু ইবন কাসীর, বরকতের রাত-৪৪) ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন, রমযানের শেষ দশ রাতে সমানভাবে শবে ক্বদর অনুসন্ধান করা উচিত, হযরত শাহ ওলীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী (রহঃ) বলেন, শবে ক্বদর ২টি। ১. ১টিতে বিশ্ব প্রশাসনের বিধি-ব্যবস্থা নির্ধারিত হয়। এই শবে ক্বদর অনির্দিষ্ট, এক এক বছর এক এক রাতে অনুষ্ঠিত। ২. ২য়টি হলো কল্যাণ, ফয়েয ও বরকত সাওয়াব বৃদ্ধি এবং ফেরেস্তাদের অবতরণ ইত্যাদির জন্যে এ রাত রমযানের শেষ দিকের বেজোড় রাতগুলোর মধ্যে রয়েছে। ঘটনাক্রমে কুরআন নাযিলের সময় উভয় রাত মাহে রমযানে একত্রিত হয়। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা) এ পবিত্র ও মহিমান্বিত রাতে আল্লাহ্র রহমত ও মাগফিরাত থেকে যারা বঞ্চিত থাকবে তারা হলো: ১. নেশাখোর, মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী। ২. মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান। ৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী। ৪. ইচ্ছাকৃত শক্তি থাকা সত্ত্বেও নামাজ তরককারী। ৫. বিনা কারণে অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারী। (তাফসীরু কাশফিল আসরার ১ম খণ্ড পৃ: ৫৪৬) উপরোক্ত দোষে যারা দোষী তারা এ রাতের বরকত পাওয়ার জন্যে প্রথমেই খালেছ অন্তরে তওবা করতে হবে। তাদের তওবা আল্লাহ্ কবুল করার পরই তারা এই রাতের ফযিলত লাভ করবে। এ রাতে যারা নিজের অপরাধ ক্ষমা চেয়ে এবং আল্লাহ্র রহমত কামনা করে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে কাঁদবে এবং যার চোখ দিয়ে পানি বের হবে, বুঝতে হবে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তার হাতের ওপর হাত দিয়েছে। (কাশফুল আসরার তাফসীর গ্রন্থ- ১ম খণ্ড, পৃ. ৫৬৫) এ রাতের নামাজ ও ইবাদতের উসিলায় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বান্দার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করেন।
যেমন বর্ণিত হয়েছে ঃ হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহ্র নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এরশাদ করেছেন, যে লোক ঈমানের সাথে সাওয়াবের নিয়্যতে ক্বদর রাতে আল্লাহ্র ইবাদতের জন্যে দরবারে এলাহীতে দণ্ডায়মান হবে তার বিগত জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (বুখারী শরীফ- ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৭০) এ হাদিসে দণ্ডায়মান হওয়ার যে কথা রয়েছে তা' শুধু নামাযের অবস্থায় দণ্ডায়মান হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এ রাতে নামাজ, তিলাওয়াতে কুরআন, যিকির, ইস্তিগফার, তসবিহ পাঠ, বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়া একান্ত করণীয়। আল্লামা আলুসী (রহ.) লিখেছেন, লাইলাতুল ক্বদরে সর্বপ্রকার ইবাদতই হওয়া উচিত। যেমন নফল নামাজ, তেলাওয়াতে কুরআনে কারীম, আল্লাহ্র যিকির তসবীহ পাঠ, ক্ষমা প্রার্থনা এবং দোয়া এসব থাকা উচিত। (ফাযায়েলে রমযান- মুফতি আমীমুল এহসান (রহঃ), পৃষ্ঠা-২৭) শবে ক্বদরের নফল নামাজ নামাজের নিয়ম হলো ঃ প্রথম ঃ দুই দুই রাকাত করে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। প্রথম চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর একবার সূরা ক্বদর ও তিনবার সূরা ইখলাস পড়ে সালাম ফিরিয়ে একশত বার দরুদ শরীফ পাঠ করা। দ্বিতীয় চার রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা ও সূরা ক্বদরের পর সূরা ইখলাছ দশবার পড়তে হবে। এরপর সালাম ফিরিয়ে একশতবার দরুদ শরীফ পড়তে হবে। তৃতীয় চার রাকাতে একই নিয়মে সূরা ইখলাস ২৫ বার পড়তে হবে। এরপর একশত বার দরুদ শরীফ ও রাসূল (সাঃ)কে সালাম জানিয়ে নিজের গুনাহ ক্ষমা চেয়ে সমস্ত নবী ওলীগণের রুহে সাওয়াব রেসানী করতে হবে। দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর জন্যে দোয়া করতে হবে। শবে ক্বদরের নামাজের নিয়্যত ঃ উচ্চারণ ঃ নাওয়াইতু আন উছালিস্নয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকাআতাই ছালাতি লাইলাতিল ক্বাদরি মুতাওয়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। ্#৬১৫৫৩; হযরত ইমাম নববী (রহঃ) লিখেন, ক্বদরের রাতে জাগ্রত থেকে নফল নামাজ পড়া, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা এবং দরুদ শরীফ পাঠ করা উত্তম। ্#৬১৫৫৩; শবে ক্বদরের আরেকটি কাজ হলো, আত্মীয়-স্বজনের কবর যিয়ারত করা এবং দান-সদকা করা। এ রাতের বরকত, মাগফিরাত ও রহমত পেতে হলে আমাদেরকে তওবার মাধ্যমে গুনাহমুক্ত হতে হবে। বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়ে রাসূলে খোদার মহব্বত অন্তরে সৃষ্টি করতে হবে। বনি ইসরাঈলের শামসুন গাযীর মতো জিহাদের ময়দানে জীবনকে বিলিয়ে দিতে হবে। তবে ইবাদত-বন্দেগীতে ও জিহাদের পূর্বশর্ত হলো আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝা ও উপলব্ধি করা। নিজ পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে আল-কুরআনের নূরে নূরান্বিত করা। যে দিন সমাজ ও রাষ্ট্রে এ কুরআনের ঝাণ্ডা উড্ডীন হবে সে দিনই আমাদের জন্যে উড্ডীন হবে হামদ, মাগফিরাত, রহমত ও কারামতের ঝাণ্ডা। তাই আসুন, আল্লাহ্র ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বিশেষ নেয়ামত শবে ক্বদরের বরকত পাওয়ার যোগ্যতা সৃষ্টি করি। দোয়া করি হে আল্লাহ্! আমাদেরকে তোমার নিষ্ঠাবান বান্দা হবার তাওফীক দান করো। মুসলিম উম্মাহর মাঝে এমন ঈমান, ইখলাস ও তাক্বওয়াহ দাও, যার বলে বলীয়ান হয়ে তোমার কুরআনের রাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তারা যেন ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। হে আল্লাহ্! তোমার নূর, তোমার হাবিবের নূর, তোমার কুরআনের নূর, আমাদেরকে দান করো। নির্যাতিত মুসলিম জাতিকে তুমি নিজ রহমতেই হেফাজত কর। আমীন।

লাগবে নাকি FACEBOOK এ সবচেয়ে সুন্দর STATUS? নিয়ে নিন সুন্দর সব STSTUS

১। গুগলের লিঙ্গ
গদা: আচ্ছা পদা, গুগল কী ছেলে নাকী মেয়ে?
পদা: অবশ্যই মেয়ে। একটা লাইনও শেষ করতে দেয় না। শুরু না করতেই আরো কত সব আইডিয়া সাজেস্ট করে বসে।
২। না-কাটা দিঘি ভরাট
একবার এক প্রকৌশলী বদলি হয়ে নতুন এক এলাকার দায়িত্ব নিলেন। গিয়েই তিনি তাঁর সহকারীকে আগের কয়েক বছরে কী কী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে, সে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। নির্দেশমতো তদন্ত করে সহকারী তাঁকে যথাসময়ে রিপোর্ট দিলেন।

রিপোর্ট ঘেঁটে প্রকৌশলী দেখলেন, এলাকায় পানির সমস্যা নিরসনে একটি প্রশস্ত দিঘি খনন করার বাজেট দেওয়া হয়েছিল এবং রিপোর্টে উল্লেখ আছে, সেই দিঘিটা যথাসময়ে খনন করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো, অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি রিপোর্টে উল্লিখিত জায়গায় কোনো দিঘি খুঁজে পেলেন না। তাঁর আর বুঝতে বাকি রইল না, আসলে কী ঘটেছে। তিনিও এর সুযোগ নিয়ে ওপরের মহলে রিপোর্ট করলেন, এই এলাকার মানুষ দিঘি থেকে পানি পান করে বলে এখানে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। তাই অচিরেই যেন এই দিঘি ভরাট করে এখানে নলকূপ স্থাপনের বাজেট দেওয়া হয়। যথাসময়ে বাজেট মিলল এবং ‘না-কাটা’ দিঘি ভরাট হয়ে গেল; সেই সঙ্গে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর সহযোগীদের পকেটও ভরল।

৩। গতবারের মতো ঘটনা

শফিক সাহেব বিলেত যাবেন। এয়ারপোর্ট পৌঁছে তিনি কর্তব্যরত কর্মকর্তাকে বললেন, মাফ করবেন। আমি আমেরিকা যাব। আপনারা কি আমার ব্যাগটা লন্ডনে পৌঁছে দিতে পারবেন?
কর্মকর্তা: না, স্যার। সেটা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
শফিক সাহেব: যাক, বাঁচা গেল। গতবারের মতো ঘটনা তাহলে ঘটাচ্ছেন না!

৪। সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?
স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’
স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!
স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।

৫। জিপ ফাইলে কমপ্রেস করে.......

অনলাইনে পরিচিত হয়ে পরস্পরকে নিজেদের ছবি পাঠানোর পর দেখা করার সিদ্ধান্ত নিল এক ছেলে আর এক মেয়ে। দেখা হওয়ার পর মেয়েটিকে বলল ছেলেটি, ‘ছবিতে কিন্তু তোমাকে অনেক ছোটখাটো মনে হয়েছিল।’
মেয়েটি বলল, ‘তা তো হতেই পারে। কারণ তোমাকে ছবি পাঠিয়েছিলাম জিপ ফাইলে কমপ্রেস করে।’

৬। মেয়েদের অপারেটিং সিস্টেম......

মেয়েদের জন্য তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম প্রশ্নের উত্তরের অপশন হিসেবে মনিটরের পর্দায় দেখায়: ‘হ্যাঁ-ও নয়, না-ও নয়’, ‘হ্যাঁ, আবার না-ও’, ‘না! না! না!’ এবং ‘কখনো না’।

৭।
রাস্তাতে এক ফকির কে দেখে এক মহিলা বলছে
" এই তোমাকে কোথায় যেন দেখছি মনে হচ্ছে!!"
ফকিরঃ হ্যাঁ ম্যাডাম কালকেই না আপনে আমার ফ্রেন্ড
রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করলেন!! আর আমার প্রোফাইল পিকচার এ তো কমেন্ট ও দিসেন " big grin

৮। .করিম মিয়ার মুলার ক্ষেত। পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষিবিশেষজ্ঞের কাছে।
করিমমিয়াঃ ডাক্তারসাব, আমার মুলার ক্ষেততো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কি করি?
কৃষিবিশেষজ্ঞঃ আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে নুন ছিটিয়ে দিন।
করিমমিয়াঃ আহা! কি পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেলছে আর নুন দিলেতো কথাই নেই!!:-P

৯। মেয়েঃপ্রতি ২ মিনিট পর পর তুমি ফেসবুক স্ট্যাটাস এ আমার নাম লিখ কেন??
ছেলেঃফেসবুক খালি জিজ্ঞেস করে "what's on my mind?"
আর সত্যি হচ্ছে এটা সব সময় তুমি!! ♥

১০। রং নম্বর ছিল

বাবা বলছেন মেয়েকে, ‘কিরে, তুই তো ফোনে কথা বলা শুরু করলে দুই ঘণ্টার আগে ছাড়িস না! আজ মাত্র আধা ঘণ্টায়ই শেষ করলি। এটা কীভাবে সম্ভব?
মেয়ে: রং নম্বর ছিল বাবা!

প্রতারণার যত এমএলএম কোম্পানির কৌশল দেখুন

০১. সার্ভিস চার্জের নামে প্রতারণা

বাংলাদেশের প্রথম এমএলএম কোম্পানি জিজিএন বা গ্লোবাল গার্ডিয়ান নেটওয়ার্ক ১৯৯৮ সালে যখন তাদের কোম্পানি শুরু করে তখন সাধারণ অবুঝ ডিস্ট্রিবিউটরদের থেকে হিসাব ছাড়া সার্ভিস চার্জ আদায় করে। পরে যখন সদস্যরা বুঝলো যে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে তখন কোম্পানি বলেছিলো তাদের সার্ভিস চার্জ ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু তা ফেরত দেওয়ার আগেই তারা লাপাত্তা হয়ে যায়।

০২.পিপিসির মাধ্যমে টাকা আÍসাৎ
ডেসটিনি-২০০০ লি: কর্তৃক ২০০১ সাল থেকে একটানা ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ ডিস্ট্রিবিউটরদের বুকিং পদ্ধতিতে পিপিসির মাধ্যমে ২৭৭৫ টাকা জমা দিয়ে কাজ করার সুযোগ প্রদান করে। ওই টাকার এডজাস্ট করার কঠিন পদ্ধতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে তারা। কয়েক লক্ষ মানুষ থেকে যে টাকা তারা সংগ্রহ করেছিলো তা আর কেউই ফেরত পাননি।

০৩. শপিং মলের নামে প্রতারণা

চট্ট্রগ্রামের রিচ বিজনেস সিস্টেম লি: ২০০৩ সালে শপিং মলের ওপর ইনভেস্ট করার নামে মানুষ থেকে টাকা সংগ্রহ করে। তাদের “রিচ আই বাজার” নামের শপিং মলগুলো লোকসানের কারণে অনেক জায়গাতে বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ তারা এর ওপরেই দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে টাকা সংগ্রহ করে প্রতারণা করছে। একই ভাবে সেইফ ওয়ে টু লাইফ ও ভিসন কোম্পানি প্রতারণা করে অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে।

০৪. প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণা

বিজনেস ডট কম নামের একটি এমএলএম কোম্পানি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স নিয়ে বাজারে আসে। অল্প সময়ে খুব ভালো সারা পেলেও তারা সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায়। এরপর ব্রাভো আইটি ইন্টারন্যাশনাল লিঃ, স্বপ্ন প্রাইভেট লি:, আরডিএল, রাইটওয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি কোম্পানি বিভিন্ন কোর্সের নামে টাকা সংগ্রহ করে মার্কেট থেকে হারিয়ে যায়।

০৫. নিম্ন মানের হারবাল পণ্য দিয়ে প্রতারণা

২০০১ সালের পরপরই গ্যানেক্স বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিঃ নামের একটি এমএলএম কোম্পানি নিম্ন মানের হারবাল ঔষধ বিক্রির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। তারা মালয়েশিয়া থেকে হারবাল পণ্য আমদানি করে বলে সবাইকে জানালেও পরে প্রমানিত হয় কিছু পণ্য এসেছিলো বাইরে থেকে বাকিটা বাংলাদেশ থেকেই উৎপাদন করা হতো। উক্ত অভিযোগে কোম্পানির মালিক কর্তৃপকে পুলিশ আটক করেছিলো। এরপর নাম পরিবর্তন করে প্রমিজ প্রাইভেট লি: নামে কোম্পানিটি চালিয়ে যায়। একই ভাবে সাদেক ফার্মাসিউটিকেল লি:, হার্বালাইফ, নিউট্রি ফুড লি:, কার্লো ফার্মা (প্রাঃ) লিঃ, ডি এক্স এন হেল্থ (বিডি) লিঃ, জনকল্যাণ, ফোর লাইফ (প্রাঃ) লি: ইত্যাদি কোম্পানি নিম্ন মানের পণ্য বিক্রয় করার কারণে বন্ধ হয়ে যায়।

০৬. চড়া দামে পণ্য বিক্রয় করে প্রতারণা

বাংলাদেশে যারা শুধুমাত্র পণ্য বিক্রয় করে এমএলএম ব্যবসা করছেন প্রায় তাদের প্রত্যেকের নামে চড়া দামে পণ্য বিক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে। তারমধ্যে আছে ডেসটিনির কালো জিরার তেল, ই-লিঙ্কসের ব্রেসলেট, টিয়েনসি ও গেনো ই ওয়ার্ল্ডওয়াইডের ঔষধ, আপট্রেন্ড ডিস্ট্রিবিউশন (বিডি) লিঃ এর পানির জার ইত্যাদি। এই সবগুলো কোম্পানিই চড়া দামে গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রয় করে আবার তাদেরকেই ওই টাকার কিছু অংশ ফেরত দিচ্ছে। বলার যেন কেউই নেই।

০৭. গাছের ওপর বিনিয়োগের নামে প্রতারণা

ডেসটিনি-২০০০ লি: যখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম, তখন ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তে ২০০৬ সালের জুন মাস থেকে “ট্রি প্লান্টেশন লি:” নামের একটি প্রজেক্ট চালু করে। পরিকল্পিত কোন গাছের প্রজেক্ট না থাকলেও তারা গাছের উপর বিনিয়োগের নামে মানুষ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করে। তারা আগে প্রত্যেক ইনভেস্টের সাথে গাছের একটি সার্টিফিকেট দিত। কিন্তু যখন দেখা গেলো তাদের যেসব প্রজেক্টে এখনও গাছ লাগানো হয়নি সেসব প্রজেক্টের গাছের সার্টিফিকেট বিক্রয় করছে। পরে পত্রিকায় এই নিয়ে লেখা-লেখি হলে তারা সার্টিফিকেট না দিয়ে শুধু মানিরিসিট দিয়েই শেষ করেছে। একই পদ্ধতিতে পরবর্তিতে নিউওয়ে, ইউরো ট্রি প্লান্টেশন এবং টিসিএল নামের এমএলএম কোম্পানি “ট্রি প্লান্টেশন লি:” চালু করে মানুষ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

০৮. ফ্লাট বিক্রির নামে প্রতারণা

মাত্র দশ হাজার টাকা বুকিং দিলেই ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া যাবে। লয়েড ভিশন লি: নামের একটি এমএলএম কোম্পানি এভাবেই তাদের প্রতারণা শুরু করে। কর্তৃপ গ্রাহকদেরকে বলে দশ হাজার টাকা বুকিং দিয়ে আমাদের কোম্পানি থেকে আয় করে আমাদের বাকী টাকা দিলেই আপনাদের ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিবো। তারা আর আয়ও করতে পারে না আর ফ্ল্যাটও নিতে পারে না। কয়েক লক্ষ সদস্য থেকে তারা প্রতারণা করে এই টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া ডেসটিনি ডায়মন্ড বিল্ডার্স নামের একটি বিল্ডিং করার জন্য গ্রাহকদের থেকে প্রায় অর্ধযুগ আগে টাকা নিলেও এখন পর্যন্ত কোন বিল্ডিং করতে পারেনি। এম স্টার, গৃহ নির্মাণ ও রিচ বিজনেস সিস্টেম লি: নামের এমএলএম কোম্পানির নামে একই অভিযোগ রয়েছে।

০৯. প্লট বিক্রির নামে প্রতারণা

ঢাকা ও ঢাকার আসে-পাশের শহরে বছরে জমির দাম দশ গুণ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনই সময় প্লটে বুকিং দেওয়া। তাও আবার মাত্র দশ হাজার টাকার বিনিময়ে!! সঙ্গে অনেক কিছুই ফ্রী পাচ্ছেন। নিজস্ব যানবাহনে প্রজেক্ট দেখার সুযোগ। এসব লোভনীয় অফার দিয়ে প্লট-জমীর ব্যবসা করেছে অর্থ মাল্টিভিশন সিস্টেম লি:। এক সময় গ্রাহকরা নিজে আয় করে বা নিজের পকেট থেকে টাকা দিতে না পারলে এর সবটুকু মালিক হয়ে যাচ্ছে কোম্পানি নিজেই। প্লট বিক্রির নামে এভাবেই প্রতারণা চলছে।

১০. দশ মাসে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার নামে প্রতারণা

২০০৯ সালের শেষের দিকে স্বর্ণের বিজনেস করে দশ মাসে বিনিয়োগের দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে মানুষের থেকে টাকা সংগ্রহ করতে থাকে ইউনিপে টুইউ বাংলাদেশ লি: নামে একটি কোম্পানি। প্রথম কিছু দিন তারা ঠিকঠাক মতো মানুষের টাকা ফেরত দিতে থাকলো। এরপর সময় বুঝে এক সময় উধাও হয়ে গেলো। এর কিছুদিন পরে একই গ্রুপের আবার নতুন সংস্করণে ভিসারেভ নামের একটি কোম্পানি বাংলাদেশে এলো। তারা ইউনিগ্রুপের নাম ভাঙ্গিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেলো। ভার্জিন গোল্ড নামের একই গ্রুপের আরো একটি কোম্পানি এলো। সবগুলোই অল্প কিছু দিন চলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তাদের টাকা আত্মসাতের ঘটনা বাংলাদেশের সব শ্রেনীর মানুষ জানলেও সরকারের পক্ষ থেকে শুধু বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করেছেন। এখন এই কোম্পানির বিনিয়োগ কারীরা মহা বিপদে থাকলেও তাদের ব্যাপারে ভাববার যেন কেউই নেই।

১১. সার্ভের নামে প্রতারণা

অনলাইনে আউট সোর্সিংয়ের নামে এমএলএম এর মাধ্যমে প্রতারণার আরেক উপায় হচ্ছে “সার্ভে”। ইউনিপে যখন ধ্বংশের মুখে তখনই স্পিক এশিয়া অনলাইন নামের একটি এমএলএম কোম্পানি প্রতারণার নতুন ফাদ সার্ভে করে বারমাসে তিনগুণ টাকা দেবে বলে ঘোষণা দেয়। তাদের হটাৎ এমন অফার দেখে মানুষ ঝড়ের মতো স্পিক এশিয়াতে টাকা রাখতে শুরু করলো। বাংলাদেশের সবগুলো এমএলএম কোম্পানির মধ্যে অল্প সময়ে সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার করেছিলো এই কোম্পানিটি। স্পিক এশিয়া বন্ধ হয়ে গেলে এশিয়ান বুল, সার্ভে ওয়ার্ল্ড, ভেরি সার্ভে, গ্রীন সার্ভে ইত্যাদি কোম্পানি একই উপায়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে।

১২. মাল্টিপারপাসের নামে প্রতারণা

সার্ভে যখন মানুষের কাছে একসময় গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলে তখন ইজেন ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি কোম্পানি প্রতারণার আরেকটি উপায় বের করে। তারা বলে আমরা রিয়েল এমএলএম করার জন্য মাল্টিপারপাসের মাধ্যমে ব্যবসা করে বারমাসে দ্বিগুণ দেই। মানুষ তখন এখানে হুমড়ি খেয়ে পরে। মাল্টিপারপাসের নাম ভাঙ্গিয়ে এমএলএম করতে সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে নিষেধ করা হলেও বাংলাদেশে এই মূহুর্তে মাল্টিপারপাসের নামে সব থেকে বেশী প্রতারণা করছে। তাদের মধ্যে আরো আছে ডেসটিনি-২০০০ লি:, র‌্যাবনেক্স লি:, মাইক্রোট্রেড লি:, সফট ই ওয়ার্ল্ড লি:, আর্থ ডিএসএল, এইমওয়ে কর্পোরেশন লি: ইত্যাদি।

১৩. শেয়ার মার্কেটে ব্যবসার নামে প্রতারণা

দেশে এবং বিদেশে শেয়ার ব্যবসা করে দ্রুত টাকা কয়েক শত গুণ থেকে কয়েক হাজার গুণে উন্নিত করা যায় এমন একটি গুজব উঠলো। মানুষ সব ছেড়ে চলে আসলো শেয়ার ব্যবসার নামে তথাকথিত প্রতারণার আরেকটি ফাদে। লিজেন ভ্যাঞ্জার, রিচ বিজনেস সিস্টেম লিঃ, ফরেক্স, ফরেক্স ফর ইউ, ফরেক্স শেয়ার ইত্যাদি কোম্পানি শেয়ারের নামে টাকা সংগ্রহ করলো। এরপর শেয়ার ব্যবসা মন্দ বলে সবগুলো কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়।

১৪. বোর্ড ভাঙ্গা কোম্পানির নামে প্রতারণা
সকলের সব প্রতারনাকে ছাপিয়ে মার্কেটে আসে একেবারেই নতুন ধাচের প্রতারণা কোম্পানি বোর্ড ভাঙ্গা কোম্পানি! নাম শুনে হয়তো অনেকে অবাক হতে পারেন কিন্তু তাদের মার্কেটিং প্লানকে তারা বোর্ড ভাঙ্গা প্লান বলেই চালায়। টিভিআই বা ট্রাভেল ভ্যাঞ্জার ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি কোম্পানি প্রত্যেক সদস্য থেকে একুশ হাজার পাচশত টাকা করে সংগ্রহ করলো ফাইভ স্টার হোটেলে সাত দিন সাত রাত থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করবে বলে। এই টাকা দিয়ে পৃথিবীর যেকোন দেশের ফাইভ স্টার হোটেলে থাকা যাবে। আর একজন সদস্য যখন এভাবে দুই জনকে সদস্য করতে পারবে তখন সে পাবে তেতাল্লিশ হাজার টাকা। এরপর যখন আরো দুইজনকে সদস্য করতে পারবে তখন পাবে আট লাখ টাকা। একটু অন্য রকম প্লান বলে ল ল মানুষ এখানে জয়েন করে প্রতারিত হলো। একই উপায়ে বিভিন্ন কোম্পানি হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

১৫. পামওয়েলের ব্যবসার নামে প্রতারণা

এই মূহুর্তে বাংলাদেশে সোয়াবিনের প্রচুর চাহিদা। তেলের বাজারে এমন সংকটময় মুহুর্তেব দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে পামওয়েলের ব্যবসা করে বারো মাসে দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রজেক্ট এশিয়ান কিং লি: নামে একটি কোম্পানি (!) বাংলাদেশের কিছু বোকা মানুষ মনে করলো ঠিকই তো পামওয়েলের ব্যবসার এখন সুবর্ণসুযোগ। এখানে টাকা রাখলে হারানোর ভয় নেই। হাজার হাজার মানুষ এখানে টাকা বিনিয়োগ করে পরে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসে যায়।

১৬. বাইব্যাক পলিসির নামে প্রতারণা

বাইব্যাক পলিসি মানে হচ্ছে গ্রাহক পণ্য ক্রয় করে পুনরায় কোম্পানির কাছে ফেরত দিতে পারবে। অনেকে মনে করেন এমএলএম এ বাইব্যাক পলিসির বৈধতা রয়েছে। এতে শতভাগ পণ্য বিক্রয় করা নিশ্চিত হয়। কিন্তু এইমওয়ে কর্পোরেশন লি: নামের একটি কোম্পানি নিয়ম করেছে পণ্য ক্রয় করলেই তা ফেরত দিতে হবে !! ফেরত দেওয়ার মানে হচ্ছে যে টাকা গ্রাহক বিনিয়োগ করবে তা ছয় মাসে দ্বিগুণ হারে পন্যের পরিবর্তে টাকা ফেরত নেবে। একই ভাবে ইসলামী সফট বিডি লি:, সাকসেস ওয়ে লি:, গ্রেট ওয়াল লি ইত্যাদি কোম্পানি মানুষের সাথে নতুন উদ্ভাবিত উপায়ে প্রতারণে করছে।

১৭. ইন্টারনেটে ক্লিকের মাধ্যমে প্রতারণা

বাংলাদেশের মানুষ ইন্টারনেট সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা রাখে না বলে এই সেক্টরে প্রতারণা করার সুযোগ অনেক বেশি রয়েছে। ডোলেন্সার নামের একটি কোম্পানি প্রতারণার নতুন ফাদ তৈরী করলো। সাড়ে সাত হাজার টাকা ফি দিয়ে গ্রহক হয়ে ইন্টারনেটে ক্লিক করার মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ দেয় তারা। নেটে আউটসোর্সিং এর কাজ বলে গ্রাহকদের থেকে হাজারে হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করে তারা। একই উপায়ে শেরাটন বিডি লি:, ডোল্যান্সার সহ আরো অনেকেই টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

কোন কোম্পানির অনুমোদন নেই

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজারের উপরে এমএলএম কোম্পানি আছে। সরকার ২০০৯ সাল পর্যন্ত মাত্র ৭০টি এমএলএম কোম্পানির অনুমোদন দিলেও এরপর থেকে এসব কোম্পানির অনুমোদন বন্ধ রয়েছে। অথচ খুব অবাক করার বিষয় হলো এরই মধ্যে বাংলাদেশে দুই হাজারের বেশি এমএলএম কোম্পানি জন্ম নিয়েছে এবং অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়া থেকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কোম্পানি বাংলাদেশে আসছে। কোম্পানি নামে তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলেও আদতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনরকম অনুমোদন নেই। কেউ কেউ মাল্টিপারপাসের একটি সার্টিফিকেট কিনেই ব্যবসার পসরা নিয়ে বসেছে। কেউবা শুধু ট্রেড লাইসেন্স করেই প্রকাশ্যে ব্যবসা করছে। এমএলএম কোম্পানির যেহেতু এখন অনুমোদন দেওয়া হয় না তাই কেউবা তাদের সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশনের অনুমোদন নেওয়ার সময় ক্যাটাগরীতে ব্যবসার ধরণ লিখেছে, আমদানী-রপ্তানী, হারবাল পণ্য উতপাদন বা বিক্রয়, আইটি সফটওয়্যার, বহুমুখী পণ্য বিপণন, ট্রাভেল এজেন্সি ইত্যাদি।

সরকার কি বলছে ?

এমএলএম নিয়ে বাংলাদেশে নীতিমালা করা নিয়ে অনেক বৈঠক করেছে। সর্বশেষ মিটিংয়ে বানিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক যে খসড়া করা হয়েছে তার ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘অপরাধ দণ্ড’তে বলা হয়েছে, কতগুলো ক্ষেত্রে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করা নিষিদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে অবস্তুগত বা অলীক পণ্য, স্থাবর সম্পপত্তি, বৃ, ফ্যাট ও প্লট বিক্রয়, কমিশন বা বোনাস হিসেবে কোনোরূপ শেয়ার বা ঋণপত্র ক্রয়-বিক্রয়, বোনাস স্কিম, কিস্তির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ বা সঞ্চয় বা বিলিবণ্টন এমনকি লটারির টিকিটও বিক্রি করা যাবে না। এ ছাড়া প্লাটিনাম, স্বর্ণ, ব্রোঞ্জ, পারদ, হাইড্রো কার্বন, তেজস্ক্রিয় পদার্থ, ¯পর্শকাতর রাসায়নিক পদার্থ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক, ধাতব মুদ্রা, অশ্লীল ছবির ফিল্ম, সিডি, ভিসিডি; উগ্র মৌলবাদী বই, ফিল্ম, সিডি, ভিসিডি এবং রাষ্ট্র ও ধর্মবিরোধী বা ধর্ম বিকৃতকারী বই বা প্রচারপত্র, ফিল্ম, সিডি ও ভিসিডি বিপণন নিষিদ্ধ। এসব পণ্য ও সেবা বিপণন করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। পণ্য বাজারজাতকরণের আগে সরকার নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য ও সেবার গুণগত মানের সনদ, পণ্যের গায়ে উৎপাদান, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ, মূল্য ইত্যাদি প্রকাশের বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরণ আইন ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে চলতে হবে। খসড়া নীতিমালায় এমন অসংখ্য তথ্য বিবরণী থাকলেও আদতেও কেউ কোন আইন যেমন মানেন না তেমনি এই আইনটি পাশ বা কার্যকারী করার ক্ষেত্রে ও যেন উদাসীনতা লনীয়। আর তাই সুযোগ বুঝে প্রতারক এমএলএম কোম্পানিগুলো নানান সময় নানান প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন উপায়ে প্রতারণা করে চলেছে।

BANGLADESHI MODEL SARIKA PHOTO'S

  1. hjhj





আল-হাদীসঃ সহীহ আল-বুখারী,সহীহ মুসলিম,সহীহ আত-তিরমিযী, যঈফ আত-তিরমিযী,আবু দাউদ,মুয়াত্তা-মালিক,সুনানু নাসাঈ,সুনানু ইবনে মাজাহ,রিয়াদুস সালেহীন,আল-হাদীসঃ ১০০০-এরও বেশী সুনান ডাউনলোড করুন ফ্রী...

আল-হাদীসঃ সহীহ আল-বুখারী

বুখারী শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

৪র্থ খন্ড

৫ম খন্ড

৬ষ্ঠ খন্ড

৭ম খন্ড

৮ম খন্ড

৯ম খন্ড

১০ম খন্ড

আল-হাদীসঃ সহীহ মুসলিম

মুসলিম শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

৪র্থ খন্ড

৫ম খন্ড

৬ষ্ঠ খন্ড

৭ম খন্ড

৮ম খন্ড

আল-হাদীসঃ সহীহ আত-তিরমিযী

তিরমিযী শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

আল-হাদীসঃ যঈফ আত-তিরমিযী

তিরমিযী শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

আল-হাদীসঃ আবু দাউদ

আবু দাউদ শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

৪র্থ খন্ড

আল-হাদীসঃ মুয়াত্তা-মালিক

মুয়াত্তা

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

আল-হাদীসঃ সুনানু নাসাঈ

নাসাঈ শরীফ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

৪র্থ খন্ড

আল-হাদীসঃ সুনানু ইবনে মাজাহ

সুনানু ইবনে মাজাহ

ডাউনলোড করুন

১ম খন্ড

২য় খন্ড

৩য় খন্ড

আল-হাদীসঃ রিয়াদুস সালেহীন

রিয়াদুস সালেহীন

ডাউনলোড করুন

১ম থেকে ৪র্থ খন্ড

আল-হাদীসঃ ১০০০-এরও বেশী সুনান

১০০০-এরও বেশী সুনান

প্রতি দিবা ও রাত্রীতে রাসুল(সঃ)-এর কথা ও আমল

ডাউনলোড করুন