
--------সেলফি তোলার ১৩ টি টিপস-----------

-----গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চাচ্ছেন? বেসিক অবস্থায় আপনার জন্য কিছু গাইডলাইন আর টিপস-----
- আমি ডিজাইন জগৎে নতুন কি করে শিখব বা শুরু করব গ্রাফিক্স ডিজাইন?
- কোথায় শিখলে ভাল হবে? কোন প্রকার কোর্স ছাড়াই আমি কিভাবে আমি এটা শিখতে পারি?
- বেসিক অবস্থায় আমার করনীয় কি? ইত্যাদি…. ইত্যাদি……
এক নজরে উপরের প্রশ্নের উত্তরগুলো জেনে নেওয়া যাক:
উত্তরঃ নিচের টিপস্গুলো ফলো করুন। তাহলেই আপনি অনেক দূর পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারবেন।
উত্তরঃ আরে ভাই! কোর্স যে করেই শিখতে হবে এমন কোন কথা আছে? আপনি নিজে নিজেই আগে শেখার চেষ্টা করে দেখুন। যদি তারপরও না হয় তখন দেখা যাবে বা ভাবা যাবে কোর্সের কথা। আর আগে পুরো লেখাটি ভালভাবে দেখুন বুঝুন তারপর সে অনুযায়ী কাজ করুন।
উত্তরঃ অনেকই বলেন যে আমার গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স এত্ত টাকা দিয়ে করা সম্ভব না। কিন্তু তাই বলে আমাকে বসে থাকতে হবে? ভাই/বোন শুনুন, আগে বেসিক ভাবেই নিজে নিজে শিখার চেষ্টা করে যান। দেখবেন এক না এক সময় আপনি সফল হবেনই।
Make Income On the Web (ইন্টারনেট এ আয় কি জিনিস বুঝে নিন)
If you know of any others, we’d love to hear your money making tips. Please share them in the comments.
Freelance Projects
Even as companies are laying off workers left and right, that work still need to get done by someone. Often times, companies will turn to freelancers on a per project basis as a way to save money and get things done quickly. Further, for smaller, one-time projects, it doesn’t make sense for many companies to hire a full-time employee, so frequently they will turn to the freelancer marketplace. There are many places to look for freelance jobs, but the large bid-based job boards are a good place to start. eLance, Guru, ScriptLance, and sologig are some of the best known.Become a Topic Expert
About.com provides users with a guided tour of the web’s best sites in a wide range of topical areas. Each area of the site is maintained by a paid guide who is an expert in that area. The job of a guide is one part blogger, one part directory curator, and one part columnist. There are always openings for new guides and compensation starts at $725 per month. Guides are paid based on the amount of traffic they bring in and some make in excess of $100,000 per year.Moonlight as a Designer
More and more smart companies are turning toward design contests to crowdsource their design work and get professional-quality results more efficiently. For designers, contests offer a steady stream of potential clients and a way to build up their portfolios. The clear market leader in the space is SitePoint’s own sister site 99designs. With almost $3 million in prize money awarded, and hundreds of open projects at any one time, you’ll never lack for work. ReadWriteWeb has a good list of other contest sites for designers to find even more opportunities.Sell Your Stuff
Becoming an eBay millionaire is far from a piece of cake, but making some extra money in tough economic times is definitely doable. We all have some stuff in the attic that we never use, have outgrown, or just no longer need. Put it up for sale on eBay or Craigslist and make some extra cash. One man’s trash is another man’s treasure, after all.Cash in on Your Photos
Amateur-produced stock photos are a huge business. Last year iStockPhoto paid out $20.9 million in royalties to contributors. So selling your photos is indeed a possible way to make some extra, passive income, and there are a number of places where you can try to sell your pictures. We recently published a list of 15 such stock photo web sites, many of which give bonuses for exclusivity.Flip a Website
Buying and selling web sites has also become big business, and unlike the house flipping market, the bottom hasn’t fallen out of the web site market. SitePoint’s Marketplace has grown into the web’s number one place to buy and sell web sites, and many people make a living doing just that.Help People Search
If you’re good at finding things on the Internet, then you can make a few extra bucks helping people locate the information they need. Web search site ChaCha employs an army of search guides that help people do web searches. You won’t make big bucks doing it, but it’s not a bad way to make some spare change in your down time.Sell Your Writing
Finding a full-time job as a writer isn’t easy (trust me, I should know!), but selling your freelance writing (and audio, video, and images) has never been easier thanks to Associated Content. AC is a network of content producers that allows anyone to submit content and be paid for it when it is distributed to their partner sites. The site says it has paid out over $1 million to content producers.Name a Product
Even if you’re not a designer, you can still get in on the crowdsourcing action. NameThis is a contest site similar to 99designs, but rather than competing for design projects, users compete to come up with names for new products and services. If you fancy yourself a clever wordsmith, there is money to be earned at NameThis.Design a T-Shirt
On the other hand, if you’re a design star, you may want to try your luck at t-shirt design for Threadless. Winning designs get $2,000 in cash, and $500 worth of free t-shirts, plus all the prestige that goes along with being a Threadless winner. Non-designers can submit slogans for a shot at a $500 cash prize.Do Odd Jobs
Amazon Mechanical Turk is a people-power API from Amazon that lets companies easily outsource tasks to humans. These tasks are often mundane, and don’t pay much on their own, but they can be a good way to make extra cash just by doing things like reviewing restaurants, evaluating search results, and rating videos.Shill Products on Your Blog
Have a blog? If you want to make a little extra cash, PayPerPost offers a way to write sponsored blog posts about products and services for money. There are some ethical ramifications here, so we’d advise that you always clearly disclose when a post is paid and avoid jobs that require a positive review.কারেন্ট নিউজ ডাউনলোড করে নিন
প্রতিদিনের মত আজও আপনাদের পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়তে সহায়ক এমন নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।
গত পোস্টে আপনারা জেনেছেন কীভাবে কারেন্ট অ্যাফেআর্স বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন ।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জানবো কারেন্ট নিউজ ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ ও একমাত্র উপায়।
এই মাসের অর্থাৎ কারেন্ট নিউজ সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যাটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনার যেকোন প্রয়োজন জানাতে দ্বিধা করবেন না ।
সবাইকে ধন্যবাদ ।
আগামি কাল ইনশাল্লাহ নতুন কোন পড়াশোনা বিষয়ক পোস্ট নিয়ে দেখা হবে সেই পর্যন্ত খোদা হাফেজইন্টারনেটে ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার গুলো
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই ? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন। সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিপস শুরু করছি। ইন্টারনেটে আমরা ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার জন্য আমরা নানা ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করে থাকি যেমন , Skype, Google Talk MSN Meseenger AIM Messenger BDchat software Deshichat(voice chat) Net2phone eyeballchat meebo, paltalk webcam chat , oovoo video chat
আজ আমি আপনাদের কয়েকটি ফ্রি ইন্টারনেটে ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার লিঙ্ক দিবো , আমি জানি আপনারা অনেকে জানেন সফটওয়্যার গুলো নিয়ে । তবে আমাদের ব্লগে এই নিয়ে কোন টিপস শেয়ার করা হয় নেই । তাই আজ আমি শেয়ার করলাম যারা জানেন না তাদের জন্য ।
Skype BETA
skype তে ভয়েস কল, ভিডিও কল, চ্যাটিং করা যায়। অনেকেই হয়ত yahoo. msn, Galk এ চ্যাটিং করে থাকেন তবে আমার মতে skype সবচেয়ে ভালো একটি সফটওয়ার । ইন্টারনেট স্পীড কম থাকলেও কোন সমস্যা হবে না । এর সাউন্ড সিস্টেম অনেক ভালো । ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপি কিনে নেই মাইক্রোসফট.স্কাইপকে মাইক্রোসফটের একটি ডিভিসনে রুপান্তরিত করা হবে । স্কাইপ প্রধান টনি বেটস হবেন এই বিভাগের চেয়ারম্যান । তার রিপোর্টিং হেড হবেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী স্টিভ বালমার ।অনেকেই বলছেন এই চুক্তিতে স্কাইপ অতি মূল্যায়িত । এমনিতেই মাইক্রোসফট অনলাইন সার্ভিসে টাকা হারাচ্ছে । তারপর এত দামে কিনে নেয়া পণ্যটিও গতবছর প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিতে ছিল তথ্যসূএ Microsoft will acquire Skype
কিছুদিন আগে মাইক্রোসফট এর এই স্কাইপ বিশ্বজুড়ে প্রবলেম হয়ে ছিল । তবে এখন প্রায় সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে যারা এখনো স্কাইপ ব্যবহার করছেন না তারা
এখান থেকে ডাওনলোড করুন অফ লাইনে ইন্সটল করুন
Yahoo! Messenger

সবাই জানেন Yahoo! Messenger অনেক ভালো একটি ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার
Google Talk
oovoo video chat
oovoo video chat
এটিও অনেক ভালো একটি ফ্রি ভয়েস চ্যাট ও ভিডিও চ্যাট করার সফটওয়্যার এখান থেকে ডাওনলোড করুন
সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করবেন, কিন্তুু কেন?
সাইকোলজির প্রফেসরের আজ মেজাজ খুব ফরফুরে।প্রথম সারিতে একজন নতুন ছাত্র দেখে তিনি তাকে দাড় করালেন।
প্রফেসরঃ তুমি কি গড এ বিশ্বাস কর?
ছাত্রঃ অবশ্যই স্যার।
প্রফেসরঃ গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ গড কি সর্বশক্তিমান?
অবশ্যই…
প্রফেসরঃ আমার ভাই ক্যানসারে মারা গেছে যদিও সে গড এর কাছে নিরাময় চেয়েছিল। আমরা প্রায় সবাই অন্যের অসুখ বিসুখে সাহায্য করি, কিন্তু গড তা করেনি। এর পরও কি তুমি বলবে গড ভাল ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ তোমার কোন উত্তর নেই তাইতো ? ওকে, এসো আমরা আবার শুরু করি।গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ শয়তান কি ভাল ?
ছাত্রঃ না।
প্রফেসরঃ শয়তান কোথা থেকে এসেছে ?
ছাত্রঃ গড থেকে।
প্রফেসরঃ তাহলে বৎস, বল জগতে এভিল বলে কিছু আছে কি?
ছাত্রঃ জ্বী আছে।
প্রফেসরঃ এভিল সর্বত্রই আছে, তাইনা ? এবং গড সব কিছু তৈরী করেছে।
ছাত্রঃ জ্বী
প্রফেসরঃ তাহলে এভিল কে তৈরী করেছে?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ হিংসা, বিদ্বেষ, অসুস্থতা, মৃত্যু, এসব কিছই জগতে আছে, তাই নয় কি ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ এসব কে তৈরী করেছে ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ বিজ্ঞান বলে যে, তোমার পাচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে যা তুমি জগতের সব বস্তুকে সনাক্ত করতে ব্যবহার কর। এখন বল তুমি কি গডকে দেখেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের কথা শুনেছ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের স্বাদ গন্ধ কখনও অনুভব করেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ এর পরও কি তুমি গড কে বিশ্বাস কর ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ পরীক্ষাগারে ব প্রফেসরঃ বলো, অনুভবে বলো প্রদর্শনে বলো , বিজ্ঞান বলে গডের কোন অস্তিত্ব নেই। তুমি একে কি বলবে ?
ছাত্রঃ কিছুই না। আমার শুধু বিশ্বাস আছে।
প্রফেসরঃ হ্যা। এখানেই বিজ্ঞানের সমস্যা।
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, তাপ বলে কিছু আছে কি?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ ঠান্ডা ?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ না স্যার এগুলির কোনটিই নেই।
(ঘটনার পট পরিবর্তনে সারা রুম চুপ হয়ে গেল।)
ছাত্রঃ স্যার, আপনি অনেক ধরনের তাপ পেতে পারেন, কম তাপ, বেশী তাপ বা আরো বেশী, কিন্তু ঠান্ডা বলে কিছু নেই।আমরা ৪৫৮ ডিগ্রীর নীচে তাপমাত্রায় যেতে পারি না।তাপের অনুপস্থিতিকেই আমরা ঠান্ডা বলি। আমরা ঠান্ডা মাপি না, তাপই মাপি।তাপই শক্তি। ঠান্ডা আলাদা কিছু নয়, এটি তপের অনুপস্থিতি মাত্র।
(ক্লাসরুমে তখন পিন পতন নীরবতা।)
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, অন্ধকার কি?
অন্ধকার বলে কিছু আছে কি ?
প্রফেসরঃ অবশ্যই, অন্ধকার না থাকলে রাত আসে কিভাবে?
ছাত্রঃ আপনি আবার ভুল করলেন, প্রফেসর। অন্ধকার আলোর অনুপস্থিতি মাত্র। আপনি কম আলো, বেশী আলো ঝাপসা আলো, এসব বলতেই পারেন, কিন্তু কোন আলো না থাকলেই আমরা অন্ধকার বলি।আলো একবারেই না থাকলে অন্ধকারকে আরো তীব্র করা সম্ভব নয়।
প্রফেসরঃ এসব বলে তুমি কি বুঝাতে চায়ছো ?
ছাত্রঃ আমি আসলে আপনার ফিলোসফি থেকেই একটা সিদ্ধান্তে পৌছাতে চাচ্ছি।
প্রফেসরঃ কি সিদ্ধান্ত?
ছাত্রঃ স্যার আপনি দৈত নীতি অনুসরণ করছেন।আপনি একই সাথে জন্ম মৃত্যু ভাল গড, খারাপ গড এর অস্তিত্বের যুক্তি দিচ্ছেন।আপনি গডকে সসীম পরিমাপযোগ্য রাশি মনে করছেন।স্যার বিজ্ঞান কখনও চিন্তা ও চেতনা কে পরিমাপ করতে পারেনা। বিজ্ঞান ইলেকট্রিসিটি ম্যাগনেটিজম ব্যবহার করে কিন্তু কখনও এগুলি ধেখা যায়না এবং খুব কমই অনুভব করা যায়।
এখন প্রফেসর,আপনি বলুন, আপনি কি আপনার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেন যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে?
প্রফেসরঃ অবশ্যই । তুমি যদি জৈবণিক বিবর্তনবাদ দেখ তাহলে তো তাই স্বীকার করবে।
ছাত্রঃ এই বিবর্তন কি আপনি চোখে দেখেছেন ?
(প্রফেসর আস্তে আস্তে বুঝতে পারছিলেন তর্কটি কোন দিকে যাচ্ছে।)
যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি, তাহলে কি ধরে নেব আপনি শুধু আপনার বিশ্বাসটাই প্রচার করছেন।আপনি কি একজন বিজ্ঞানী নাকি একজন প্রচারক ?
পুরো ক্লাস হঠাৎ হাসিতে ফেটে পড়ল।
ছাত্রঃ এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন দেখেছো ?
পুরো ক্লাস আবার হাসিতে ফেটে পড়ল।
এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন শুনেছো অনুভব করেছো, স্পর্শ করেছো অথবা স্বাদ গ্রহণ করেছো?
এমন কেউই নেই যে তা করেছে। সুতরাং বিজ্ঞানের স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী প্রফেসরের কোন ব্রেইন নেই।
With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?
পুরো ক্লাস চুপ। প্রফেসর এক পলকে ছাত্রের দিকে তাকিয়ে রইল।
প্রফেসরঃ আমি মনে করি আমার ব্রেইনকে তোমার বিশ্বাস করা উচিত।
আমিও এটাই বলছিলাম, মানুষ এবং গডের মধ্যে সম্পর্কটা বিশ্বাসের।এটাই বিশ্বাসীদের বাচিয়ে রেখেছে।
আর সেই ছাত্রটা ছিলেন এপিজে আব্দুল কালাম সাবেক ইন্ডিয়ান প্রেসিডেন্ট।
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(DBMS) ব্যবহার
ডাটাবেজ মানে তথ্যভান্ডার। কম্পিউটার আবিষ্কারের আগে স্তুপীকৃত ফাইলে তথ্য সংরক্ষণ করা হতো, এখন ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। ডাটাবেজ তৈরীর বিভিন্ন প্রোগ্রাম আছে। একটি ডাটাবেজ তৈরী করার পর সেটাকে প্রায়ই আপডেট করতে হয়। এই আপডেটের কাজ করার জন্যও বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম আছে। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ডিবিএমএস, হলো এমন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রাম যা একই সাথে ডাটাবেজ তৈরী, ব্যবস্থাপনা, তত্ত্ববধান এবং ডাটা প্রসেসের কাজ করে। ডাটাবেজের সাহায্যে ডাটা প্রসেস করে আমরা ঐসব ডাটার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারি। যদিও ডাটা প্রসেস করে নলেজ মাইন করা ডাটাবেজের মুল উদ্দেশ্য নয়। নলেজ মাইনিংয়ের জন্য ডাটা মাইনিং টুলস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ডাটাবেজের মুল উদ্দেশ্য হলো, দ্রুত গতিতে ডাটা খোঁজ করা, সবচেয়ে নিরাপদ উপায়ে ডাটা সংরক্ষণ করা ইত্যাদি। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অপরিহার্য যেখানে একই সময় একাধিক ব্যবহারকারী একই ডাটা ব্যবহার করে থাকেন। যেমন, একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে আপডেট করতে চান, তখন বিভিন্ন সমস্যার তৈরী হতে পারে। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এই সমস্যাগুলোকে খুবই দক্ষতার সাথে সামাল দেয়।
কম্পিউটার আবিষ্কার এবং এর ব্যবহারের শুরুর দিকেই তথ্য তৈরী, সংরক্ষণ এবং খোঁজার কাজটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলো। সর্বপ্রথম ১৯৬০ সালে, বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী চার্লস বাকম্যান ডিবিএমএস তৈরী করেন। তিনি তখন জেনারেল ইলেট্রিকে কর্মরত ছিলেন। সেই ডিবিএমএসটির নাম দেয়া হয়েছিলো, ইন্টিগ্রেটেড ডাটা স্টোর(আইডিএস) । ষাটের দশকের শেষের দিকে আইবিএম ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নামে একটি ডিবিএমএস তৈরী করে। এই সফটওয়্যারটিই, তথ্যকে শ্রেনীক্রম অনুসারে কিভাবে সাজানো যায় তার একটি ধারনা দিয়েছিলো, যা বর্তমানে হায়ারারকিকাল ডাটা মডেল নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালে এটস্খার কড, তথ্যকে পরিবেশন করার নতুন একটা মডেলের প্রস্তাব দেন। তিনি তখন আইবিএম’র স্যান হোস গবেষণাগারে কর্মরত ছিলেন। এই ধারনাটিই রিলেশনাল ডাটা মডেল নামে পরিচিত। ডিবিএমসের ক্রমবিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়, ইন্টারনেটের আবিষ্কার এবং এর বহুল ব্যবহারের পর থেকে। এখন ওয়েবসাইট ভিত্তিক ডাটাবেজকে উন্নত করার জন্য নানা ধরনের গবেষণা চলছে।
ব্যবহারের সুবিধা
- একই তথ্যের পুনরাবৃত্তি রোধ করে স্থানের সর্বোচ্চ ব্যবহার। ধরা যাক, একটি স্কুলের ডাটাবেজে, তিন ধরনের টেবিল আছে। প্রথম টেবিলে, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার রেজাল্ট সংক্রান্ত তথ্য । দ্বিতীয় টেবিলে তাদের বেতন সম্পর্কিত তথ্য । তৃতীয় টেবিলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য। দেখা যাবে, প্রতিটি টেবিলেই, শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ করতে হচ্ছে। অথচ, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে আমরা শুধু মাত্র এক যায়গায় শিক্ষার্থীদের নাম সংরক্ষন করে, পরবর্তীতে ঐ জায়াগার রেফারেন্স দিয়ে দিতে পারি।
- তথ্যের অসামঞ্জস্যতা দুর করা। বিচ্ছিন্নভাবে সংরক্ষিত তথ্যে বিভ্রাট বা যৌক্তিক অসামঞ্জস্যতা থাকতে পারে। ডিবিএমএসে তথ্য সংরক্ষণ করা হলে, তথ্যের যেকোন ধরনের অসামঞ্জস্যতা সনাক্ত করা যায়। যেমন, একই ব্যক্তির ছবির শিরোনাম ভিন্ন হতে পারে না। দেখা গেলো, একই রকম ছবি বা তথ্য জমা দিয়ে, দুজন ভিন্ন ব্যক্তি, দুটো ভিন্ন নাম ব্যবহার করলো। ডিবিএমএস ব্যবহারের মাধ্যমে তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একই তথ্য নিয়ে কাজ করতে সক্ষম]
- তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তথ্য নবায়ন করার পর, সংরক্ষণের আগেই যেনো তা মুছে না যায় তা নিশ্চিত করা। যেমন, কোন তথ্যভান্ডারে ২০০ ডাটা নবায়ন করার পর, সংরক্ষণের আগেই বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা ডিবিএমএস এ আছে। ডিবিএমএস তথ্যের যেকেনো পরিবর্তনের সুচী তৈরী করে রাখে। যখন প্রয়োজন হয়, তখন স্বল্পমেয়াদের জন্য তৈরীকৃত ঐসব সুচীর মাধ্যমে তথ্য উদ্ধার করা হয়।
- তথ্যের স্বনির্ভরতা তৈরী করা। এর মানে হলো, তথ্য যেন তথ্য ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামের ওপর নির্ভর না হয়। তাতে সুবিধা হবে এই যে, এক ডিবিএমএসএ তৈরী করা তথ্য অন্য ডিবিএমএস এ ব্যবহার করা যাবে।
- স্বল্পতম সময়ে তথ্য খুঁজে বের করা।
- সহজে এবং কম সময়ে ডাটাবেজ বা তথ্যভান্ডার তৈরী করা
ড. কডের ১২ নীতি
১৯৮০ সালে ড. কড রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরীর ১২ টি নীতি প্রস্তাব করেন।
- সুত্র ১: সমস্ত ডাটাকে টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে।
- সুত্র ২: প্রতিটি ডাটার একটি অনন্য মান থাকবে, যেনো একই ধরনের ডাটা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরী না হয়। যেমন, সরদার আমীর আলি নামের অনেক ব্যক্তিই থাকতে পারেন। এজন্য প্রতিটি নামের সাথেই একটি অনন্য নির্দেশক থাকবে যা শুধু ঐ নামটিকেই নির্দেশ করবে। যেমন, একজনের বয়স যদি ৫৯ হয় এবং অপরজনের যদি ১৫ হয়, তাহলে আমরা নামের প্রথম অক্ষরগুলোর সাথে বয়স জুড়ে দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন নির্দেশক বের করতে পারি। সআআ৫৯ এক ব্যক্তি, কিন্তু সআআ১৫ অন্য ব্যক্তি। যদিও সাধারণত এসব ক্ষেত্রে সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। কারন, সংখ্যাকে প্রসেস করা অপেক্ষাকৃত সহজ।
- সুত্র ৩: তথ্য পুরণের ঘর প্রয়োজনে খালি থাকতে পারবে।
- সুত্র ৪: ডাটাবেজের গঠন প্রকৃতি এবং বর্ণনা, তার সাথেই দেয়া থাকতে হবে।
- সুত্র ৫: ডাটাবেজের সাথে একটি সুনির্দিষ্ট কুয়েরী ভাষা তৈরি করতে হবে। যেনো, ঐ ভাষা ব্যবহার করে নতুন ধরনের তথ্য তৈরী, তথ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রান্সফার এবং তথ্যের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা যায়।
- সুত্র ৬: তথ্যকে বিভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করার সুবিধা থাকতে হবে। অর্থাৎ কুয়েরী ভাষা ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাবে তথ্য সাজিয়ে, তা উপস্থাপন করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
- সুত্র ৭: তথ্য সংযোজন, বিয়োজন এবং নবায়ন এর কাজ যেনো উচ্চ পর্যায়ে করা যায়, সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে। উচ্চ পর্যায় বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, কুয়েরী ভাষা দিয়ে নতুন নতুন রুল তৈরী করে যেন এসব কাজ করা যায়। যেনো, একজন ব্যবহারকারী যেকোন ধরনের সেট গঠন করতে পারেন।
- সুত্র ৮: তথ্যকে হার্ডওয়্যার থেকে পৃথক রাখতে হবে।
- সুত্র ৯: তথ্য উপস্থাপনের প্রক্রিয়া, তথ্য সংরক্ষণের থেকে স্বনির্ভর হতে হবে। অর্থাৎ তথ্যকে যেভাবেই সংরক্ষণ করা হোক, তথ্য উপস্থাপন তার উপর নির্ভর করবে না। এর সুবিধা হলো, যখন তথ্যের সংরক্ষণ অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে, তখন আবার নতুন করে, তথ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন হবে না।
- সুত্র ১০: ডাটাবেজের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখার জন্য, ডাটাবেজ ব্যবহারকারীর উপর কিছু সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ থাকবে।
- সুত্র ১১: ডাটাবেজ এমন ভাবে বানাতে হবে, যেনো যদি সেটি একাধিক স্থানে, কম্পিউটারে বা সার্ভারে, অবস্থিত হয়, ব্যবহারকারীর যেনো তা নিয়ে কোন আলাদা শ্রম ব্যয় করার প্রয়োজন না থাকে। অর্থাৎ, একটি ডাটাবেজ একই স্থানে অবস্থিত, না একাধিক স্থানে, তা না জেনেই একজন ব্যবহারকারী যেনো তা ব্যবহার করতে পারেন।
- সুত্র ১২: একটি ডিবিএমএস যদি লো এবং হাই, এ দু লেভেলের ভাষা ব্যবহারেরই ব্যবস্থা রাখে, তাহলে নিশ্চিতকরতে হবে, লো লেভলের ভাষা যেনো হাই লেভেলের ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। অর্থাৎ, লো-লেভেলের ভাষা দিয়ে এমন কিছু করা যাবে না, যা হাই লেভেল ভাষায় নিষিদ্ধ।
তথ্য উপস্থাপনা
অন্য অনেক কাজের মধ্যে ডিবিএমএসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, তথ্য সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি সংক্রান্ত ঝামেলা থেকে তথ্যের ব্যবহারকারীকে দুরে রাখা। অর্থাৎ, আপনি যদি কোন ডাটাবেজ থেকে কোন তথ্য জানতে চান, তাহলে সেই ডাটাবেজের গঠন প্রকৃতি বা তাতে কিভাবে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে তা আপনার জানা লাগবেনা। যাঁরা ডাটাবেজ তৈরী করেন, তাঁরা এ কাজটি করার জন্য, কয়েক স্তরের এবস্ট্রাকশন ব্যবহার করেন। এবস্ট্রাকশন কি? এবস্ট্রাকশন হলো এক ধরনের বিমুর্ত ধারনা। তথ্যকে ধারনাকে তিনটি স্তরে প্রকাশ করা যায়:
- গাঠনিক স্তর: এই স্তরটি সবচেয়ে নীচের স্তর। এর মানে হলো, এ স্তরটি আন্য স্তরের ভিত্তি। এ স্তরে, একটি ডাটাবেজ কিভাবে গঠন করা হলো, এতে তথ্য কি উপায়ে রাখা হলো, তথ্যের গঠন কি ইত্যাদি বিস্তারিত দেয়া থাকে।
- যৌক্তিক স্তর: এই স্তরে মুল ডাটা রাখা থাকে। এবং সেসব ডাটার মধ্যে সম্পর্ক কি তাও এ স্তরেই সংজ্ঞায়িত করা হয়। উল্লেখ্য, এই স্তরের ব্যবহারকারীর গাঠনিক স্তর সম্পর্কে কোন ধারনার প্রয়োজন হয় না।
- উপস্থাপন স্তর: এটিই সর্বোচ্চ স্তর। এই স্তরে বলা থাকে, একজন ব্যবহারকারী কিভাবে, কত সহজে ডাটাবেজে রাখা তথ্য দেখতে পারবে।
প্রচলিত কিছু সফটওয়্যার
ওরাকল, মাইএসকিউএল, মাইক্রোসফট একসিস ইত্যাদি
১০০ টা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর মশার কয়েল
লাগবে নাকি FACEBOOK এ সবচেয়ে সুন্দর STATUS? নিয়ে নিন সুন্দর সব STSTUS
প্রতারণার যত এমএলএম কোম্পানির কৌশল দেখুন

মোবাইল ফোন হারিয়ে গালে কি করবেন?
একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি টেলিটকে অনলাইনে....
শুরু হয়েছে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম। এবার কলেজগুলো অনলাইনে ভর্তি নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। প্রিয় টেকের পাঠকদের সুবিধার্থে আবেদন করার নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো।
প্রথমে আপনার মোবাইল Message অপশনে গিয়ে CAD কাঙ্ক্ষিত কলেজের EIIN কাঙ্ক্ষিত গ্রুপের নামের প্রথম অক্ষর এসএসসি/সমমানের পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষররোল নম্বর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সনশিফটের নামভার্সনকোটার নাম লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
উদাহরণ : CAD 696954 S DHA 123456 2012 MFQ (এখানে 696954 কাঙ্ক্ষিত কলেজের EIIN, S কাঙ্ক্ষিত গ্রুপের নামের প্রথম অক্ষর, DHA - এসএসসি পরীক্ষার পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, 123456 আবেদনকারীর এসএসসি/ সমমানের পরীক্ষা পাশের রোল নম্বর, এসএসসি/ সমমানের পরীক্ষা পাসের সন ২০১২, M শিফটের নামের প্রথম অক্ষর, B মাধ্যম এর প্রথম অক্ষর, FQ মুক্তিযোদ্ধা কোটা।
ভর্তিচ্ছু গ্রুপের ক্ষেত্রে : বিজ্ঞান এর জন্য S, ব্যবসা শিক্ষা এর জন্য B, গার্হস্থ্য অর্থনীতির এর জন্য E, ইসলাম শিক্ষা এর জন্য I লিখতে হবে।
মাধ্যমের ক্ষেত্রে : বাংলা মাধ্যমের ক্ষেত্রে B, ইংরেজি মাধ্যমের জন্য E লিখতে হবে।
শিফটের ক্ষেত্রে : সকালের জন্য M, দিনের জন্য D, বিকেলের জন্য E, এবং আবেদনকৃত কলেজে যদি কোন শিফট না থাকে তবে N লিখতে হবে।
কোটার ক্ষেত্রে : মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য FQ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধীনস্থ দপ্তরসমূহ, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সন্তানদের কোটার জন্য FQ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃক ঘোষিত বিশেষ কোটার জন্য SQ লিখতে হবে। কোন শিক্ষার্থী একাধিক কোটার আবেদন করার যোগ্যতা থাকলে কমা (,) দিয়ে একাধিক কোটার উল্লেখ্য করতে হবে। যেমন কোন শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশেষ কোটায় আবেদনের যোগ্যতা থাকলে তাকে কোটার জন্য FQ,SQ লিখতে হবে। উল্লিখিত কোটার আওতাধীন না হলে কোটার অপশনে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই।
কোন প্রতিষ্ঠানের একই সাথে স্কুল ও কলেজ শাখা চালু থাকলে ঐ প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি পাশকৃত সকল শিক্ষার্থী উক্ত ভর্তির জন্য এসএসএম এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।
ফিরতি এসএমএস এর আবেদনকারীর নাম, কলেজের EIIN গ্রুপের নাম এবং শিফটসহ ফী বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে, তা জানিয়ে একটি PIN প্রধান করা হবে। আবেদন সম্মত থাকলে Message অপশনে গিয়ে CAD Yes PIN Contact Number (নিজের ব্যবহৃত যে কোন মোবাইল অপারেটর এর নম্বর) লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
শর্তাবলী :
১. এক জন আবেদনকারী একাধিক কলেজে/ একই কলেজের একাধিক গ্রুপে/ একই কলেজের একাধিক শিফটে আলাদা ভাবে আবেদন করতে পারবে, তবে প্রতিক্ষেত্রেই ফি বাবদ ১২০ টাকা কেটে নেয়া হবে।
২. এসএসএম এর মাধ্যমে ভর্তির আবেদন ০৬ জুন তারিখ রাত ১১. ৫৯ মিনিট পর্যন্ত করা যাবে।
৩. পুন:নিরীক্ষণের মাধ্যমে যাদের ফল পরিবর্তন হবে তাদের আবেদন গ্রহণের তারিখ ১৪ জুন পর্যন্ত। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের মেধা ক্রম ১৭ জুন তারিখে এসএসএম, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড/ওয়েবসাইট এবং www.educationboard.gov.bd এবং স্ব স্ব বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হবে। ভর্তি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম মন্ত্রণালয় ও বোর্ড প্রদত্ত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
EIIN প্রাপ্তি : এসএমএস এর মাধ্যমে ভর্তির জন্য বোর্ড কর্তৃক নির্বাচিত কলেজসমূহের তালিকা ও EIIN সংশ্লিষ্ট কলেজ/ বোর্ড সমূহের ওয়েবসাইট এবং কলেজ ও বোর্ড সমূহ প্রদত্ত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানা যাবে।
এক দিনে ১৫ হাজার আবেদন জমা
একাদশ শ্রেণীর অনলাইনে ভর্তি শুরু দিন থেকে ব্যাপক সারা পাওয়া গেছে। প্রথম দিনে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত শুধু অনলাইনে ১৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
যেসব কলেজে ৬০০ আসন আছে, এবার সেগুলোর বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে ভর্তির কাজ করতে হচ্ছে। আর তিন শতাধিক আসন থাকা কলেজগুলোতেও সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। বাকিগুলো সনাতন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে।
এবার শুধু ঢাকা বোর্ডের অধীন ১৫২টি কলেজে অনলাইনে ভর্তির কাজ চলছে। এর মধ্যে ৪২টি কলেজ ঢাকা মহানগরে অবস্থিত। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও আবেদনের পদ্ধতি দেওয়া আছে।
অনলাইনে ভর্তি জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর বলেন, অনলাইনে ভর্তির এই প্রক্রিয়া চালুর ফলে শিক্ষার্থীরা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে।
তিনি জানান, আগামী ৬ জুন পর্যন্ত ভর্তির জন্য আবেদন বা বার্তা গ্রহণ করা হবে। তবে এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তারা ভর্তির আবেদনের সময় পাবে আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত। বিলম্ব ফি ছাড়া ২৮ জুন ও বিলম্ব ফিসহ ভর্তির শেষ সময় ১২ জুলাই। ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। আগের মতোই জিপিএর ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না।
১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা যাবে না এবং সব ফি রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। তবে কোনো কোনো অভিভাবক বলছেন, যেসব কলেজে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে মোবাইল ফোনের বার্তা খরচ ও বোর্ডের খরচের বাইরে কলেজের জন্য আলাদা খরচ নেয়া যৌক্তিক নয়। কারণ, অনলাইনে আবেদনের যাচাই-বাছাইয়ে কলেজগুলোর সেই অর্থে ভূমিকা থাকবে না। টেলিটকের সঙ্গে মিলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই কাজটি করবে।












